সুন্দরবনে হোগল নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবন, ঘরবাড়ি হারিয়ে বিপাকে ১০-১২টি পরিবার
- আপডেট সময় : ০২:২২:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

মনোয়ার ইমাম কলকাতা থেকে – এবিসি ন্যাশনাল নিউজ
গোসাবা, কলকাতা, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার: ঘূর্ণিঝড় অর্নবের প্রভাবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন এলাকার বাসন্তীতে হোগল নদীর বাঁধ ভেঙে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। রাধাবল্লভপুর এলাকার সজোনেতলায় বাঁধ ভেঙে নদীর জল লোকালয়ে ঢুকে পড়ায় ১০ থেকে ১২টি পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, গভীর রাতে বাসিন্দারা যখন ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন হঠাৎ হোগল নদীর বাঁধ ভেঙে জলোচ্ছ্বাসের পানি বাড়িঘরে ঢুকে পড়ে। পানির প্রবল স্রোতে ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বহু পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়ে। আকস্মিক এই বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অর্নব ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার উপকূলীয় এলাকায়ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশাখাপত্তনম, গোপালপুর ও পারাদ্বীপ বন্দর-সংলগ্ন এলাকায় ঝড়ের প্রভাব পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এর প্রভাব পশ্চিমবঙ্গের দুই মেদিনীপুর, দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং হুগলি জেলাতেও ছড়িয়ে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান গোসাবার বিধায়ক বিকরণ নস্করসহ অন্যান্য রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দ। বাসন্তী থানার পুলিশ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন বিধায়ক। নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাসও তিনি দিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন গোসাবার বিধায়ক বিকরণ নস্করের ব্যক্তিগত সহকারী প্রতাপ হাজরা বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ, হতাহতের সংখ্যা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এবিসি ন্যাশনাল নিউজ
সত্যের পথে, জনগণের কণ্ঠে










