ঢাকা ০৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ
চৌদ্দগ্রামে তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে শায়েখ আহমেদ আলী মোল্লা জয়পুরহাটে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে এইচএসসি পরীক্ষায় ৯ কলেজে পাস করেননি কোনো শিক্ষার্থী বগুড়ার পাঁচ কলেজে সবাই ফেল সান্তাহারে নতুন কুড়ি স্পোর্টসের খেলোয়াড় বাছাই শুরু!! পেশাদারিত্ব ও মানবিক আচরণে ‘জনগণের পুলিশ’ গড়ার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দূর্গাপুরে রক্তযোদ্ধা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রী-ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইন ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ধানের শীষের ঝড়, ১ লাখের বেশি ভোটে এগিয়ে ফয়সল আমীন পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে ‘জনগণের পুলিশ’ গড়ে তোলার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অবশেষে ধরা পড়লেন দক্ষিণের ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ চম্পা, আমতলীতে স্বস্তির হাওয়া

ঠাকুরগাঁওয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের বার্তা: সংঘাত নয়, রাজনীতিতে চান শান্তি ও সমঝোতা

মো পজিরুল ইসলাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪০ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি :
নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম সফরে এসে দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে রাজনৈতিক অঙ্গনে সংঘাত, হানাহানি ও প্রতিহিংসার পরিবর্তে আলোচনা ও পারস্পরিক সমঝোতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।

রোববার বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় বক্তব্য দেওয়ার সময় রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা রক্ষার দায়িত্ব সবার। প্রয়োজন হলে নিজের জীবন দিয়েও দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের সুরক্ষায় কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে সেই মতপার্থক্য যেন সংঘাত বা সহিংসতায় রূপ না নেয়। দেশের স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোকে পরস্পরের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজে বের করার আহ্বান জানান তিনি।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের কথা স্মরণ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, অতীতে দেশের মানুষ অনেক নির্যাতন ও কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছে। ভবিষ্যতে তিনি আর মারামারি, রক্তপাত কিংবা প্রাণহানির রাজনীতি দেখতে চান না। মানুষের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তরুণ সমাজের প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ তরুণদের ওপর নির্ভরশীল। তাই মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে তরুণদের দূরে রাখতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। খেলাধুলা, শিক্ষা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তরুণদের সম্পৃক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

ঠাকুরগাঁওয়ের অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। নতুন শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে উল্লেখ করে জেলার মানুষের আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার ওপর জোর দেন তিনি।

নিজ জেলার মানুষের ভালোবাসার কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন রাষ্ট্রপতি। ঠাকুরগাঁওয়ের মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, এই এলাকার মানুষের ভালোবাসা তাঁর জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। ঠাকুরগাঁওবাসীর এই ভালোবাসার ঋণ কখনো শোধ করার নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁও সফর

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমবার নিজ জেলা সফরের অংশ হিসেবে রোববার দুপুরে হেলিকপ্টারে করে ঠাকুরগাঁও শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে পৌঁছান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সেখানে পৌঁছানোর পর নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী তিনি সার্কিট হাউসে যান এবং গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। পরে সেনুয়া এলাকায় পারিবারিক গোরস্থানে গিয়ে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

এরপর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেন তিনি। রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষে শহরের বিভিন্ন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তার পাশে অবস্থান নিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান।

নাগরিক সংবর্ধনায় নিজের জেলার মানুষের আবেগ ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন—“মোর নাম এই নামে হোক, আমি তোমাদেরই লোক।”

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিতি

নাগরিক সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক ডা. আবু খাইরুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, হুইপ আখতারুজ্জামান, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

এ সময় জেলা জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এসডিওর প্রতিষ্ঠাতা ডা. মুহাম্মদ শহীদ উজ জামান।

রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁওয়ের সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ দেখা যায়। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তাঁর এ সফরের মাধ্যমে জেলার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের বার্তা: সংঘাত নয়, রাজনীতিতে চান শান্তি ও সমঝোতা

আপডেট সময় : ০৯:৪২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি :
নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম সফরে এসে দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে রাজনৈতিক অঙ্গনে সংঘাত, হানাহানি ও প্রতিহিংসার পরিবর্তে আলোচনা ও পারস্পরিক সমঝোতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।

রোববার বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় বক্তব্য দেওয়ার সময় রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা রক্ষার দায়িত্ব সবার। প্রয়োজন হলে নিজের জীবন দিয়েও দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের সুরক্ষায় কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে সেই মতপার্থক্য যেন সংঘাত বা সহিংসতায় রূপ না নেয়। দেশের স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোকে পরস্পরের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজে বের করার আহ্বান জানান তিনি।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের কথা স্মরণ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, অতীতে দেশের মানুষ অনেক নির্যাতন ও কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছে। ভবিষ্যতে তিনি আর মারামারি, রক্তপাত কিংবা প্রাণহানির রাজনীতি দেখতে চান না। মানুষের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তরুণ সমাজের প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ তরুণদের ওপর নির্ভরশীল। তাই মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে তরুণদের দূরে রাখতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। খেলাধুলা, শিক্ষা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তরুণদের সম্পৃক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

ঠাকুরগাঁওয়ের অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। নতুন শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে উল্লেখ করে জেলার মানুষের আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার ওপর জোর দেন তিনি।

নিজ জেলার মানুষের ভালোবাসার কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন রাষ্ট্রপতি। ঠাকুরগাঁওয়ের মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, এই এলাকার মানুষের ভালোবাসা তাঁর জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। ঠাকুরগাঁওবাসীর এই ভালোবাসার ঋণ কখনো শোধ করার নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁও সফর

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমবার নিজ জেলা সফরের অংশ হিসেবে রোববার দুপুরে হেলিকপ্টারে করে ঠাকুরগাঁও শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে পৌঁছান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সেখানে পৌঁছানোর পর নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী তিনি সার্কিট হাউসে যান এবং গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। পরে সেনুয়া এলাকায় পারিবারিক গোরস্থানে গিয়ে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

এরপর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেন তিনি। রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষে শহরের বিভিন্ন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তার পাশে অবস্থান নিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান।

নাগরিক সংবর্ধনায় নিজের জেলার মানুষের আবেগ ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন—“মোর নাম এই নামে হোক, আমি তোমাদেরই লোক।”

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিতি

নাগরিক সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক ডা. আবু খাইরুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, হুইপ আখতারুজ্জামান, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

এ সময় জেলা জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এসডিওর প্রতিষ্ঠাতা ডা. মুহাম্মদ শহীদ উজ জামান।

রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁওয়ের সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ দেখা যায়। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তাঁর এ সফরের মাধ্যমে জেলার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

শেয়ার করুন