ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষীদের পুর্নবাসনে দ্রুত জনবান্ধব কর্মসূচি প্রয়োজন …….ওমর ফারুক পাটোয়ারী

- আপডেট সময় : ০৫:৫১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৪ ১১৩ বার পড়া হয়েছে

ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষীদের পুর্নবাসনে দ্রুত জনবান্ধব কর্মসূচি প্রয়োজন
…….ওমর ফারুক পাটোয়ারী
স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় বৃহত্তম নোয়াখালী, বৃহত্তর কুমিল্লা, বৃহত্তর সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রামের মোট ১২ টি জেলার, ৮৬ টি উপজেলায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মৎস্য অধিদপ্তরের জরিপ মোতাবেক বন্যা কবলিত এলাকার ৮০৮৯৯ টি পুকুর, দিঘী ও খামারের মাছ বানের পানিতে ভেসে গেছে। মাছ ও চিংড়ির ক্ষতির পরিমাণ ৯০৭৬৮ মেট্রিক টন। কাঠামোগত সহ মোট মৎস্য সম্পদের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৫৯০ কোটি ৩৬ হাজার টাকা।
ব্যাপক ক্ষতির কারণে চাষীরা এখন দিশেহারা। বন্যা কবলিত এলাকার পানি নেমে গেলে মৎস্য চাষীদের পুনর্বাসনের জন্য মৎস্য মন্ত্রণালয়ের কিছু জরুরী কর্মসূচি হাতে নেওয়া প্রয়োজন।
১. মৎস্য চাষী ও খামার মালিকদেরকে সহজ শর্তে ঋণ দিতে হবে।
২. ক্ষুদ্র চাষীদের ঋণ মওকুফ এবং বড় খামারিদের ঋণের সুদ মওকুফ করতে হবে।
৩. বন্যা পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় চাষীদেরকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা সহ সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।
৪. ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য খামার গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রধান করতে হবে।
৫. সারাদেশের মুক্ত জলাশয়ে পোনা অবমুক্ত কার্যক্রমের অব্যবহৃত অর্থের সাথে আরো অর্থ বরাদ্দ দিয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মৎস্য খামারিদের মাঝে পোনা বিতরণ করতে হবে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে উপরোল্লিখিত কর্মসূচি হাতে নিলে ক্ষতিগ্রস্ত চাষীরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে। ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের পুনর্বাসনে সরকারের অতি দ্রুত জনবান্ধব কর্মসূচি গ্রহণ করা প্রয়োজন।
ওমর ফারুক পাটোয়ারী
যুগ্ম আহবায়ক
জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি।