এবিসি ন্যাশনাল নিউজ২৪ ইপেপার

ব্রেকিং নিউজঃ
জয়পুরহাটের টাউন হলটি যেন ভুতুড়ে বাড়ি প্রতিদিনই নষ্ট হচ্ছে শত শত কর্মঘন্টা সরু রেলগেইটে বাড়ছে যানজট; ভোগান্তিতে হাজার হাজার পথচারী ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে বগুড়ায় জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ’র অভিযান মিয়ানমারের ভূমিকম্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী ও মেডিকেল টিমের অভিযান অব্যাহত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বঙ্গে একজন প্রতিবন্ধী প্রার্থী কে বাদ দিয়ে চাকরি হারালেন ছাব্বিশ হাজার শিক্ষক  সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত কুড়িগ্রামের হাইওয়ে রোডে ও বাস কাউন্টারে জরিমানা ভুরুঙ্গামারীতে শরিফুল ইসলাম বাবু (৩২)কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।  জয়পুরহাট সরকারি কলেজে ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী বটিয়াঘাটায় অর্ধশতাধিক পূজা মন্ডপে বাসন্তি পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে ।

পরিত্যক্ত খোয়াই নদী পরিষ্কারে নেমেছেন ব্যারিস্টার সুমন

এবিসি ন্যাশনাল ডেক্স নিউজ
  • আপডেট সময় : ০৯:১০:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৪ ৩১২ বার পড়া হয়েছে

পরিত্যক্ত খোয়াই নদী পরিষ্কারে নেমেছেন ব্যারিস্টার সুমন

সোশ্যাল মিডিয়া আলোচিত সমালোচিত ব্যারিস্টার সুমন-বিভিন্ন সময়ে সামাজিক বিভিন্ন কর্মকান্ড  সোশ্যাল মিডিয়ায় সরগম! তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই নিজ শহরের পরিত্যক্ত খোয়াই নদী পরিষ্কারে মাধ্যমে তিনি জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজের কার্যক্রম শুরু করলেন।

আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে
কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে ?
মুখে হাসি বুকে বল, তেজে ভরা মন
‘মানুষ হইতে হবে’ – এই যার পণ।
বিপদ আসিলে কাছে হও আগুয়ান
নাই কি শরীরে তব রক্ত, মাংস, প্রাণ?
হাত পা সবারই আছে,মিছে কেন ভয়?
চেতনা রয়েছে যার, সে কি পড়ে রয়?
সে ছেলে কে চায় বল, কথায় কথায়
আসে যার চোখেজল, মাথা ঘুরে যায়?
মনে প্রাণে খাট সবে, শক্তি কর দান,
তোমরা ‘মানুষ’ হলে দেশের কল্যাণ।

শুক্রবার সকাল থেকেই তিনি নিজের শহর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট পৌর এলাকায় পরিত্যক্ত খোয়াই নদীতে জমে থাকা ৫০ বছরের আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ শুরু করেন। এতে সহায়তা করছেন বিডি ক্লিন নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কয়েকশ কর্মী। কার্যক্রমের শুরুতে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, এটি খোয়াই নদীর অংশ বিশেষ। প্রায় ৫০ বছর আগে চুনারুঘাট শহরকে বন্যার হাত থেকে রক্ষা করতে এটির গতিপথ পরিবর্তন করা হয়। তখন থেকেই নদীর এ অংশটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। পুরাতন খোয়াই নদীর এ অংশটি ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়। অথচ এটি খুব সুন্দর একটি পর্যটনকেন্দ্র হতে পারত। কিন্তু ময়লার কারণে বোঝার কোনো অবকাশ নেই এটি কোনো নদী।

তিনি বলেন, নদীটি পরিষ্কার করার মাধ্যমেই আমার কাজের যাত্রা শুরু করতে চাই। কারণ ময়লা পরিষ্কার না করলে হঠাৎ করেই সৌন্দর্যের বাণী দেওয়া যায় না। আমার স্বপ্ন হচ্ছে— এখানে দুপাশে ওয়াকওয়ে করব। নৌকা নামিয়ে দেব। এগুলো দিয়ে মানুষ ঘুরবে।

ব্যারিস্টার সুমন জানান, নদীটি পরিষ্কারে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিন প্রায় ৬০০ কর্মী দিয়েছে। তারা নদীটি পরিষ্কার করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করছে। তাদের তিনি ধন্যবাদ জানান।

চুনারুঘাট পৌরসভার বয়স প্রায় ২০ বছর। শুরু থেকেই পৌরসভার সব ময়লা নদীর এ অংশে ফেলা হচ্ছে। যেন এটিকে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করা হয়েছে। ময়লা-আবর্জনার কারণে নদীর কোনো চিহ্ন নেই। নদীটি পরিষ্কার হলে চুনারুঘাট শহরের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে।

শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

পরিত্যক্ত খোয়াই নদী পরিষ্কারে নেমেছেন ব্যারিস্টার সুমন

আপডেট সময় : ০৯:১০:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৪

পরিত্যক্ত খোয়াই নদী পরিষ্কারে নেমেছেন ব্যারিস্টার সুমন

সোশ্যাল মিডিয়া আলোচিত সমালোচিত ব্যারিস্টার সুমন-বিভিন্ন সময়ে সামাজিক বিভিন্ন কর্মকান্ড  সোশ্যাল মিডিয়ায় সরগম! তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই নিজ শহরের পরিত্যক্ত খোয়াই নদী পরিষ্কারে মাধ্যমে তিনি জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজের কার্যক্রম শুরু করলেন।

আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে
কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে ?
মুখে হাসি বুকে বল, তেজে ভরা মন
‘মানুষ হইতে হবে’ – এই যার পণ।
বিপদ আসিলে কাছে হও আগুয়ান
নাই কি শরীরে তব রক্ত, মাংস, প্রাণ?
হাত পা সবারই আছে,মিছে কেন ভয়?
চেতনা রয়েছে যার, সে কি পড়ে রয়?
সে ছেলে কে চায় বল, কথায় কথায়
আসে যার চোখেজল, মাথা ঘুরে যায়?
মনে প্রাণে খাট সবে, শক্তি কর দান,
তোমরা ‘মানুষ’ হলে দেশের কল্যাণ।

শুক্রবার সকাল থেকেই তিনি নিজের শহর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট পৌর এলাকায় পরিত্যক্ত খোয়াই নদীতে জমে থাকা ৫০ বছরের আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ শুরু করেন। এতে সহায়তা করছেন বিডি ক্লিন নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কয়েকশ কর্মী। কার্যক্রমের শুরুতে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, এটি খোয়াই নদীর অংশ বিশেষ। প্রায় ৫০ বছর আগে চুনারুঘাট শহরকে বন্যার হাত থেকে রক্ষা করতে এটির গতিপথ পরিবর্তন করা হয়। তখন থেকেই নদীর এ অংশটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। পুরাতন খোয়াই নদীর এ অংশটি ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়। অথচ এটি খুব সুন্দর একটি পর্যটনকেন্দ্র হতে পারত। কিন্তু ময়লার কারণে বোঝার কোনো অবকাশ নেই এটি কোনো নদী।

তিনি বলেন, নদীটি পরিষ্কার করার মাধ্যমেই আমার কাজের যাত্রা শুরু করতে চাই। কারণ ময়লা পরিষ্কার না করলে হঠাৎ করেই সৌন্দর্যের বাণী দেওয়া যায় না। আমার স্বপ্ন হচ্ছে— এখানে দুপাশে ওয়াকওয়ে করব। নৌকা নামিয়ে দেব। এগুলো দিয়ে মানুষ ঘুরবে।

ব্যারিস্টার সুমন জানান, নদীটি পরিষ্কারে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিন প্রায় ৬০০ কর্মী দিয়েছে। তারা নদীটি পরিষ্কার করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করছে। তাদের তিনি ধন্যবাদ জানান।

চুনারুঘাট পৌরসভার বয়স প্রায় ২০ বছর। শুরু থেকেই পৌরসভার সব ময়লা নদীর এ অংশে ফেলা হচ্ছে। যেন এটিকে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করা হয়েছে। ময়লা-আবর্জনার কারণে নদীর কোনো চিহ্ন নেই। নদীটি পরিষ্কার হলে চুনারুঘাট শহরের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে।

শেয়ার করুন