এবিসি ন্যাশনাল নিউজ২৪ ইপেপার

ব্রেকিং নিউজঃ
মিয়ানমারের ভূমিকম্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী ও মেডিকেল টিমের অভিযান অব্যাহত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বঙ্গে একজন প্রতিবন্ধী প্রার্থী কে বাদ দিয়ে চাকরি হারালেন ছাব্বিশ হাজার শিক্ষক  সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত কুড়িগ্রামের হাইওয়ে রোডে ও বাস কাউন্টারে জরিমানা ভুরুঙ্গামারীতে শরিফুল ইসলাম বাবু (৩২)কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।  জয়পুরহাট সরকারি কলেজে ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী বটিয়াঘাটায় অর্ধশতাধিক পূজা মন্ডপে বাসন্তি পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে । এসপির প্রত্যাহার চায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শ্রীপুরে মহুয়া ট্রেনের বগিতে হঠাৎ  আগুন, ট্রেন চলাচল বন্ধ ভেড়ামারা অনলাইন প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মাঝে ঈদ উপহার গেঞ্জি বিতরণ

নভেম্বরেই ফের জি২০ বৈঠক, এবার কূটনীতি নিয়ে চিন্তায় নয়াদিল্লি ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৩ ১১২ বার পড়া হয়েছে

নভেম্বরেই ফের জি২০ বৈঠক, এবার কূটনীতি নিয়ে চিন্তায় নয়াদিল্লি।

দুই মাস আগে ভারতে জি২০ সম্মেলনের শেষ দিনে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছিলেন, ভারতের সভাপতিত্ব থাকতে থাকতে জোটভুক্ত দেশগুলোর আরো একটি বৈঠক (ভিডিও লিংকে) হবে। সে সময় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব রাজনীতি জোটে বিভক্ত ছিল, কিন্তু তখনো এমন জটিল হয়ে ওঠেনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২২ নভেম্বর ভিডিও লিংকে হবে জোটের সেই বৈঠকটি। কিন্তু ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সচিবালয়ের অস্বস্তি বাড়িয়েছে চরম মেঘাচ্ছন্ন কূটনৈতিক আকাশ। ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধ ঘিরে আন্তর্জাতিক বিবাদ ক্রমশ বড় আকার নিচ্ছে। ভারতের ভূমিকা নিয়ে আরববিশ্বে প্রশ্ন উঠছে।

ইসরায়েল ঘেঁষা নীতি নেওয়ায় প্রশ্নের মুখে মোদির পররাষ্ট্র নীতি। অন্যদিকে অন্যতম জি২০ সদস্য কানাডার সঙ্গে চলছে সংঘাত। এই অবস্থায় আবারও একটি বৈঠকের আয়োজন করে ভারতের মহিমা বৃদ্ধির কোনো সুযোগই আপাতত নেই বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। বরং বিভেদ, বিচ্ছিন্নতার বার্তাই প্রকট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনো যৌথ বিবৃতি দেওয়া হবে না বৈঠকের পরে। বড় জোর ভারতের পক্ষ থেকে বিবৃতি দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী বক্তৃতাটুকুই সম্প্রচার করা হবে বলে এখনো পর্যন্ত স্থির আছে। বাকিটা হবে রুদ্ধদ্বার সম্মেলন। মন্ত্রণালয় মনে করিয়ে দিচ্ছে, জি২০-তে বছরে একটির বেশি সম্মেলন আগেও হয়েছে।

২০২১ সালে ইতালিতে একটি বাড়তি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে সেটি হয়েছিল তালেবান আফগানিস্তান দখলের পর, কাবুল পরিস্থিতি নিয়ে। সরকারের এক কর্মকর্তার মতে, এই সম্মেলনটির মাধ্যমে সব দেশই একবার সুযোগ পাবে সেপ্টেম্বরের বৈঠকে যে প্রস্তাব এবং সুযোগগুলো তৈরি করা হয়েছে, সেগুলোকে আরো একবার খতিয়ে দেখার। বিভিন্ন বিষয়ে ভারত তার মতামত জানাবে। ভারত উন্নয়নের যে কর্মসূচি সামনে নিয়ে এসেছিল, সেটিকেও পাখির চোখ করা হবে। আগামী ১ ডিসেম্বর ভারতের সভাপতিত্বের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী গত মাসেই জানিয়েছেন, প্রত্যেকটি দেশকেই এই ভিডিও সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

ভারত আশা করছে সন্তোষজনক প্রতিনিধিত্ব হবে। কিন্তু কানাডার স্পিকার অনুপস্থিত ছিলেন গত মাসে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত জি২০ সম্মেলনে। দুই মাস হয়ে গেল কানাডার সঙ্গে ভারতের টানাপড়েন চলছে। এক খলিস্তানপন্থী নেতার হত্যায় ‘ভারতের হাত’ থাকার অভিযোগ তোলার পর অবিরাম বাগযুদ্ধ চলছে। বিতর্কে যোগ দিতে দেখা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকেও। ফলে ভারতের সভাপতিত্বে আসন্ন জি২০ ভিডিও সম্মেলনে কানাডা থাকবে কি না তা এখনো অনিশ্চিত। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

নভেম্বরেই ফের জি২০ বৈঠক, এবার কূটনীতি নিয়ে চিন্তায় নয়াদিল্লি ।

আপডেট সময় : ১১:৪০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৩

নভেম্বরেই ফের জি২০ বৈঠক, এবার কূটনীতি নিয়ে চিন্তায় নয়াদিল্লি।

দুই মাস আগে ভারতে জি২০ সম্মেলনের শেষ দিনে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছিলেন, ভারতের সভাপতিত্ব থাকতে থাকতে জোটভুক্ত দেশগুলোর আরো একটি বৈঠক (ভিডিও লিংকে) হবে। সে সময় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব রাজনীতি জোটে বিভক্ত ছিল, কিন্তু তখনো এমন জটিল হয়ে ওঠেনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২২ নভেম্বর ভিডিও লিংকে হবে জোটের সেই বৈঠকটি। কিন্তু ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সচিবালয়ের অস্বস্তি বাড়িয়েছে চরম মেঘাচ্ছন্ন কূটনৈতিক আকাশ। ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধ ঘিরে আন্তর্জাতিক বিবাদ ক্রমশ বড় আকার নিচ্ছে। ভারতের ভূমিকা নিয়ে আরববিশ্বে প্রশ্ন উঠছে।

ইসরায়েল ঘেঁষা নীতি নেওয়ায় প্রশ্নের মুখে মোদির পররাষ্ট্র নীতি। অন্যদিকে অন্যতম জি২০ সদস্য কানাডার সঙ্গে চলছে সংঘাত। এই অবস্থায় আবারও একটি বৈঠকের আয়োজন করে ভারতের মহিমা বৃদ্ধির কোনো সুযোগই আপাতত নেই বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। বরং বিভেদ, বিচ্ছিন্নতার বার্তাই প্রকট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনো যৌথ বিবৃতি দেওয়া হবে না বৈঠকের পরে। বড় জোর ভারতের পক্ষ থেকে বিবৃতি দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী বক্তৃতাটুকুই সম্প্রচার করা হবে বলে এখনো পর্যন্ত স্থির আছে। বাকিটা হবে রুদ্ধদ্বার সম্মেলন। মন্ত্রণালয় মনে করিয়ে দিচ্ছে, জি২০-তে বছরে একটির বেশি সম্মেলন আগেও হয়েছে।

২০২১ সালে ইতালিতে একটি বাড়তি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে সেটি হয়েছিল তালেবান আফগানিস্তান দখলের পর, কাবুল পরিস্থিতি নিয়ে। সরকারের এক কর্মকর্তার মতে, এই সম্মেলনটির মাধ্যমে সব দেশই একবার সুযোগ পাবে সেপ্টেম্বরের বৈঠকে যে প্রস্তাব এবং সুযোগগুলো তৈরি করা হয়েছে, সেগুলোকে আরো একবার খতিয়ে দেখার। বিভিন্ন বিষয়ে ভারত তার মতামত জানাবে। ভারত উন্নয়নের যে কর্মসূচি সামনে নিয়ে এসেছিল, সেটিকেও পাখির চোখ করা হবে। আগামী ১ ডিসেম্বর ভারতের সভাপতিত্বের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী গত মাসেই জানিয়েছেন, প্রত্যেকটি দেশকেই এই ভিডিও সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

ভারত আশা করছে সন্তোষজনক প্রতিনিধিত্ব হবে। কিন্তু কানাডার স্পিকার অনুপস্থিত ছিলেন গত মাসে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত জি২০ সম্মেলনে। দুই মাস হয়ে গেল কানাডার সঙ্গে ভারতের টানাপড়েন চলছে। এক খলিস্তানপন্থী নেতার হত্যায় ‘ভারতের হাত’ থাকার অভিযোগ তোলার পর অবিরাম বাগযুদ্ধ চলছে। বিতর্কে যোগ দিতে দেখা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকেও। ফলে ভারতের সভাপতিত্বে আসন্ন জি২০ ভিডিও সম্মেলনে কানাডা থাকবে কি না তা এখনো অনিশ্চিত। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

শেয়ার করুন