এবিসি ন্যাশনাল নিউজ২৪ ইপেপার

ব্রেকিং নিউজঃ
মিয়ানমারের ভূমিকম্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী ও মেডিকেল টিমের অভিযান অব্যাহত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বঙ্গে একজন প্রতিবন্ধী প্রার্থী কে বাদ দিয়ে চাকরি হারালেন ছাব্বিশ হাজার শিক্ষক  সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত কুড়িগ্রামের হাইওয়ে রোডে ও বাস কাউন্টারে জরিমানা ভুরুঙ্গামারীতে শরিফুল ইসলাম বাবু (৩২)কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।  জয়পুরহাট সরকারি কলেজে ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী বটিয়াঘাটায় অর্ধশতাধিক পূজা মন্ডপে বাসন্তি পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে । এসপির প্রত্যাহার চায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শ্রীপুরে মহুয়া ট্রেনের বগিতে হঠাৎ  আগুন, ট্রেন চলাচল বন্ধ ভেড়ামারা অনলাইন প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মাঝে ঈদ উপহার গেঞ্জি বিতরণ

হাতীবান্ধায় বিএমটি কলেজ জাতীয়করণ না হওয়ায় ব্যাখ্যা দিলেন প্রধান শিক্ষক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৯:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ৯৬ বার পড়া হয়েছে

 

মো:সিরাজুল ইসলাম পলাশ
লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি

লালমনিরহাটে বিএমটি কলেজ জাতীয়করণ না হওয়ায় দুই পক্ষের সৃষ্ট দন্দের ব্যাখ্যা দিলেন প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম প্রধান। জানা গেছে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার স্বনামধন্য শিক্ষা  প্রতিষ্ঠান সহর উদ্দিন সরকার সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম প্রধান এর বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করায় সংযুক্ত বিএমটি কলেজ জাতীয়করণ হয়নি। এই অভিযোগে গত  ২৬ সেপ্টেম্বর  হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে  একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে বিএমটি কলেজের শিক্ষক কর্মচারী বৃন্দ। অভিযোগে বলা হয়েছে হাতীবান্ধা এস এস মডেল  হাইস্কুল এন্ড টেকনিক্যাল কলেজ সরকারি করনের জন্য ২০১৭ সালে ততকালীন সরকার প্রধান ঘোষণা করেন। সেই আলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিদ্যালয় পরিদর্শন টিম আসলে সেখানে প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম প্রধান বিএমটি কলেজের নাম  বাদ দিয়ে শুধুমাত্র এস এস মডেল হাই স্কুলের নাম জাতীয়করণের জন্য প্রেরণ করেন। এসব অভিযোগ মিথ্যা বানোয়াট বলে সংবাদ সম্মেলন করে সৃষ্ট ভুল তথ্য ও মিথ্যা অভিযোগের ব্যাখ্যা দিয়েছেন হাতীবান্ধা সহর উদ্দিন সরকার সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম প্রধান। তিনি এ সময় বলেন বিএমটি কলেজের শিক্ষকরা যে অভিযোগ করেছেন তা সত্য  নয়, গত ২০১৭ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এই বিদ্যালয়টি জাতীয় করণের জন্য মন্ত্রণালয় থেকে যে টিম পাঠান সেই পরিদর্শন টিমের ফর্মে কোন অপশন না থাকায়  বিএমটি  কলেজ টি জাতীয়করণের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি বিএমটি কলেজ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলেও তারা মানতে চায়নি অনেক চেষ্টার পরেও জাতীয়করণ করা সম্ভব হয়নি। জাতীয়করণ করতে অর্থনৈতিক কিছু ব্যয় বাবদ বিএমটি কলেজ থেকে কিছু টাকা নেয়া হলেও পরে তা ফেরত দেওয়া হয়। আমি সততার সহিত কাজ করতে গিয়ে জানতে পারি বিএমটি কলেজটি হাতীবান্ধা শহর উদ্দীন সরকার মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাথে সংযুক্ত নয় তাই জাতীয়করণ করা সম্ভব হয়নি। এ সময় তিনি  ওই বিএমটি কলেজের কয়েকজন শিক্ষকের  জাল  সনদ দিয়ে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে তথ্য প্রকাশ করেন।

শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

হাতীবান্ধায় বিএমটি কলেজ জাতীয়করণ না হওয়ায় ব্যাখ্যা দিলেন প্রধান শিক্ষক

আপডেট সময় : ০৪:০৯:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪

 

মো:সিরাজুল ইসলাম পলাশ
লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি

লালমনিরহাটে বিএমটি কলেজ জাতীয়করণ না হওয়ায় দুই পক্ষের সৃষ্ট দন্দের ব্যাখ্যা দিলেন প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম প্রধান। জানা গেছে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার স্বনামধন্য শিক্ষা  প্রতিষ্ঠান সহর উদ্দিন সরকার সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম প্রধান এর বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করায় সংযুক্ত বিএমটি কলেজ জাতীয়করণ হয়নি। এই অভিযোগে গত  ২৬ সেপ্টেম্বর  হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে  একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে বিএমটি কলেজের শিক্ষক কর্মচারী বৃন্দ। অভিযোগে বলা হয়েছে হাতীবান্ধা এস এস মডেল  হাইস্কুল এন্ড টেকনিক্যাল কলেজ সরকারি করনের জন্য ২০১৭ সালে ততকালীন সরকার প্রধান ঘোষণা করেন। সেই আলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিদ্যালয় পরিদর্শন টিম আসলে সেখানে প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম প্রধান বিএমটি কলেজের নাম  বাদ দিয়ে শুধুমাত্র এস এস মডেল হাই স্কুলের নাম জাতীয়করণের জন্য প্রেরণ করেন। এসব অভিযোগ মিথ্যা বানোয়াট বলে সংবাদ সম্মেলন করে সৃষ্ট ভুল তথ্য ও মিথ্যা অভিযোগের ব্যাখ্যা দিয়েছেন হাতীবান্ধা সহর উদ্দিন সরকার সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম প্রধান। তিনি এ সময় বলেন বিএমটি কলেজের শিক্ষকরা যে অভিযোগ করেছেন তা সত্য  নয়, গত ২০১৭ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এই বিদ্যালয়টি জাতীয় করণের জন্য মন্ত্রণালয় থেকে যে টিম পাঠান সেই পরিদর্শন টিমের ফর্মে কোন অপশন না থাকায়  বিএমটি  কলেজ টি জাতীয়করণের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি বিএমটি কলেজ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলেও তারা মানতে চায়নি অনেক চেষ্টার পরেও জাতীয়করণ করা সম্ভব হয়নি। জাতীয়করণ করতে অর্থনৈতিক কিছু ব্যয় বাবদ বিএমটি কলেজ থেকে কিছু টাকা নেয়া হলেও পরে তা ফেরত দেওয়া হয়। আমি সততার সহিত কাজ করতে গিয়ে জানতে পারি বিএমটি কলেজটি হাতীবান্ধা শহর উদ্দীন সরকার মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাথে সংযুক্ত নয় তাই জাতীয়করণ করা সম্ভব হয়নি। এ সময় তিনি  ওই বিএমটি কলেজের কয়েকজন শিক্ষকের  জাল  সনদ দিয়ে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে তথ্য প্রকাশ করেন।

শেয়ার করুন