এবিসি ন্যাশনাল নিউজ২৪ ইপেপার

ব্রেকিং নিউজঃ
মিয়ানমারের ভূমিকম্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী ও মেডিকেল টিমের অভিযান অব্যাহত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বঙ্গে একজন প্রতিবন্ধী প্রার্থী কে বাদ দিয়ে চাকরি হারালেন ছাব্বিশ হাজার শিক্ষক  সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত কুড়িগ্রামের হাইওয়ে রোডে ও বাস কাউন্টারে জরিমানা ভুরুঙ্গামারীতে শরিফুল ইসলাম বাবু (৩২)কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।  জয়পুরহাট সরকারি কলেজে ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী বটিয়াঘাটায় অর্ধশতাধিক পূজা মন্ডপে বাসন্তি পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে । এসপির প্রত্যাহার চায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শ্রীপুরে মহুয়া ট্রেনের বগিতে হঠাৎ  আগুন, ট্রেন চলাচল বন্ধ ভেড়ামারা অনলাইন প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মাঝে ঈদ উপহার গেঞ্জি বিতরণ

হবিবপুর কেশবপুর ফাজিল মাদ্রাসা গভর্নিং বডি গঠনে অধ্যক্ষের অনিয়মের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মার্চ ২০২৪ ৪৪৭ বার পড়া হয়েছে

এবিসি ন্যাশনাল নিউজঃ

জগন্নাথপুর পৌর শহরের হাবিবপুর কেশবপুর ফাজিল মাদ্রাসা গভর্নিং বডি গঠনে অধ্যক্ষের অনিয়ম দুর্নীতি স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হবিবপুর কেশবপুর ফাজিল মাদ্রাসার দাতা সদস্য হাবিবপুর গ্রামের মৃত হাসান আলীর ছেলে মোঃ শাহানাজ মিয়া গত অক্টোবর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য বরাবরে এ অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মাদ্রাসা গভর্নিং বডি গঠন করতে অধ্যক্ষ সাহেব অনেক অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় গ্রহণ করেছেন। গভর্নিং বডি গঠনে বিধি মতো যোগ্যতাবিহীন ব্যক্তিদের অধ্যক্ষ সাহেব মনোনয়নের জন্য আবেদন করে ইতিমধ্য অনেকে মনোনয়ন পেয়েছেন, অথচ কোন আবেদনের মধ্যেই এডহক কমিটির সভাপতি মহোদয়ের অবগতি ও প্রতিস্বাক্ষর নাই এমনকি এমপি মহোদয়ের কোন ডিও লেটার নাই। পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন না হওয়া সত্ত্বেও কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। ব্যাংক একাউন্ট হোল্ডারের পূর্ববর্তী নাম পরিবর্তন করেছেন। অধ্যক্ষ সাহেবের এমন অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ও বিশৃংঙ্খলা বিরাজ করছে যা মাদ্রাসার জন্য খুবই ক্ষতিকারক।

গত ১৯ ফেব্রুয়ারী তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট মো: শাহনাজ মিয়া লিখিত বক্তব্যে জানান হবিবপুর কেশবপুর ফাজিল মাদরাসা গভর্ণিং বডির সভাপতি পদে মাদরাসা সাধারণ সভায় দুইজন প্রার্থী ছিলেন আবু হুরায়রা ছাদ মাষ্টার ও  মো: আবিবুল বারী। কিন্তু মাদরাসার অধ্যক্ষ ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে সভাপতি হিসাবে প্রস্তাবনা পত্রে  আবু হুরায়রা ছাদ মাষ্টার এর নাম বাদ দিয়ে তিন ব্যাক্তি মোঃ আবিবুল বারী, এ টি এম শাকের, মো: শিহাব উদ্দিন এর নাম পাঠান, যা দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির নামান্তর।অধ্যক্ষ সাহেব সভাপতি পদে যাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রস্তাবনা পাঠান (জনাব মোঃ আবিবুল বারী) তিনি বি.এ পাস নন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসাবে বি,এ পরীক্ষায় পাশের যে সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন তা জাল। কাজেই তিনি ফাজিল মাদরাসার গভর্ণিং বডির সভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা রাখেন না। আমি আপনাকে উনার মূল সার্টিফিকেট ও মার্কসিট পরীক্ষা করে দেখার সবিনয় অনুরোধ করছি।
মোঃ আবিবুল বারী বিগত ১০-১০-২০২০ সনে জগন্নাথপুর পৌরসভা উপ -নির্বাচনে মেয়র পদে নির্বাচন করেন। তিনি নমিনেশন দাখিলের সময় জমাকৃত হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতার কলামে স্বশিক্ষিত বলে উল্লেখ করেছেন, যা জগন্নাথপুর নির্বাচন কমিশন অফিসে জমা আছে। সঠিক তদন্তের স্বার্থে জগন্নাথপুর নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে উক্ত হলফনামা দেখার অন্য মহোদয়কে সবিনয় অনুরোধ করছি। কারন আমি বার বার জগন্নাথপুর নির্বাচন কমিশন অফিসে যোগাযোগ করলে উনারা হলফনামা দিতে অসম্মতি জানিয়েছেন এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনে দিবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।


গভর্ণিং বডি অনুমোদন হয় ১৭-১০-২০২৩ইং তারিখে। অথচ পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনের পূর্বেই অধ্যক্ষ মাদরাসার এডহক কমিটির মাননীয় সভাপতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সুনামগঞ্জ, এর স্বাক্ষর ব্যাতিরেখে নতুন সভাপতির মোঃ আবিবুল বারীর স্বাক্ষরে শিক্ষকদের তিন মাসের মাসিক সরকারী বেতন জুন, জুলাই ও আগস্ট ২০২৩ইং সনের উত্তোলন করেন এবং ০৫-০৭-২০২৩ইং ও ১০-০৯-২০২৩ইং তারিখ দুটি গভর্ণিংবডির সভা করেছেন, যা সম্পূর্ণ বিধি বহির্ভূত ও স্বেচ্ছাচারিতার বহিপ্রকাশ এবং অধ্যক্ষ সাহেব যে দুর্নীতি পরায়ন তার স্বাক্ষ্য বহন করে।

ডিজি প্রতিনিধি মনোনয়নের প্রস্তাবনা পত্রে অধ্যক্ষ সাহেব এডহক কমিটির সভাপতি মহোদয়ের প্রতি স্বাক্ষর ব্যতীত ডিজি মহোদয় বরাবর প্রস্তাবনা প্রেরণ করেন যা ডিজি মহোদয়ের নিকট গ্রহণযোগ্য হয় নাই। অতঃপর এডহক কমিটির সভাপতি মহোদয় স্বপ্রণোদিত হয়ে স্বীয় প্রতিস্বাক্ষরিত ও স্থানীয় এম,পির ডিও লেটারসহ ডিজি বরাবর প্রস্তাবনা প্রেরণের জন্য অধ্যক্ষ সাহেবকে মোবাইলের মাধ্যমে ফোন করেও তা প্রেরণ করাতে না পেরে এডহক কমিটির সভাপতি মহোদয় নিজেই স্থানীয় এম,পির ডিও লেটারসহ নিজ স্বাক্ষরিত প্রস্তাবনা ডিজি মহোদয় বরাবরে প্রেরণ করেন। ডিজি মহোদয় উক্ত প্রস্তাবনা গ্রহণ করে হবিবপুর কেশবপুর ফাজিল মাদ্রাসা গভর্ণিং বডি ডিজি প্রতিনিধি হিসাবে ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম পারভেজ কে অনুমোদন প্রদান করেন এবং ওয়েবসাইটসহ অধ্যক্ষের নিকটও অনুমোদনের কপি প্রেরণ করেন। কিন্তু অধ্যক্ষ সাহেব এখন পর্যন্ত ডিজি প্রতিনিধিকে যথাযথভাবে কমিটির সদস্য বলে গ্রহণ করতে অসম্মতি জ্ঞাপন করে কমিটির সভায় অংশগ্রহণের জন্য আহবান করছেন না, যা বিধি বহির্ভূত, স্বেচ্ছাচারিতা ও অসদাচরণের বহিঃপ্রকাশ।

অনিয়মের বিষয়ে মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুল হাকীমের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোনটি রিসিভ না হওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। এব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা জগন্নাথপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার অরূপ কুমার রায় বলেন,  অভিযোগের বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করা হয়েছে। যাছাই বাছাই করে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

হবিবপুর কেশবপুর ফাজিল মাদ্রাসা গভর্নিং বডি গঠনে অধ্যক্ষের অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মার্চ ২০২৪

এবিসি ন্যাশনাল নিউজঃ

জগন্নাথপুর পৌর শহরের হাবিবপুর কেশবপুর ফাজিল মাদ্রাসা গভর্নিং বডি গঠনে অধ্যক্ষের অনিয়ম দুর্নীতি স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হবিবপুর কেশবপুর ফাজিল মাদ্রাসার দাতা সদস্য হাবিবপুর গ্রামের মৃত হাসান আলীর ছেলে মোঃ শাহানাজ মিয়া গত অক্টোবর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য বরাবরে এ অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মাদ্রাসা গভর্নিং বডি গঠন করতে অধ্যক্ষ সাহেব অনেক অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় গ্রহণ করেছেন। গভর্নিং বডি গঠনে বিধি মতো যোগ্যতাবিহীন ব্যক্তিদের অধ্যক্ষ সাহেব মনোনয়নের জন্য আবেদন করে ইতিমধ্য অনেকে মনোনয়ন পেয়েছেন, অথচ কোন আবেদনের মধ্যেই এডহক কমিটির সভাপতি মহোদয়ের অবগতি ও প্রতিস্বাক্ষর নাই এমনকি এমপি মহোদয়ের কোন ডিও লেটার নাই। পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন না হওয়া সত্ত্বেও কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। ব্যাংক একাউন্ট হোল্ডারের পূর্ববর্তী নাম পরিবর্তন করেছেন। অধ্যক্ষ সাহেবের এমন অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ও বিশৃংঙ্খলা বিরাজ করছে যা মাদ্রাসার জন্য খুবই ক্ষতিকারক।

গত ১৯ ফেব্রুয়ারী তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট মো: শাহনাজ মিয়া লিখিত বক্তব্যে জানান হবিবপুর কেশবপুর ফাজিল মাদরাসা গভর্ণিং বডির সভাপতি পদে মাদরাসা সাধারণ সভায় দুইজন প্রার্থী ছিলেন আবু হুরায়রা ছাদ মাষ্টার ও  মো: আবিবুল বারী। কিন্তু মাদরাসার অধ্যক্ষ ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে সভাপতি হিসাবে প্রস্তাবনা পত্রে  আবু হুরায়রা ছাদ মাষ্টার এর নাম বাদ দিয়ে তিন ব্যাক্তি মোঃ আবিবুল বারী, এ টি এম শাকের, মো: শিহাব উদ্দিন এর নাম পাঠান, যা দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির নামান্তর।অধ্যক্ষ সাহেব সভাপতি পদে যাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রস্তাবনা পাঠান (জনাব মোঃ আবিবুল বারী) তিনি বি.এ পাস নন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসাবে বি,এ পরীক্ষায় পাশের যে সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন তা জাল। কাজেই তিনি ফাজিল মাদরাসার গভর্ণিং বডির সভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা রাখেন না। আমি আপনাকে উনার মূল সার্টিফিকেট ও মার্কসিট পরীক্ষা করে দেখার সবিনয় অনুরোধ করছি।
মোঃ আবিবুল বারী বিগত ১০-১০-২০২০ সনে জগন্নাথপুর পৌরসভা উপ -নির্বাচনে মেয়র পদে নির্বাচন করেন। তিনি নমিনেশন দাখিলের সময় জমাকৃত হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতার কলামে স্বশিক্ষিত বলে উল্লেখ করেছেন, যা জগন্নাথপুর নির্বাচন কমিশন অফিসে জমা আছে। সঠিক তদন্তের স্বার্থে জগন্নাথপুর নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে উক্ত হলফনামা দেখার অন্য মহোদয়কে সবিনয় অনুরোধ করছি। কারন আমি বার বার জগন্নাথপুর নির্বাচন কমিশন অফিসে যোগাযোগ করলে উনারা হলফনামা দিতে অসম্মতি জানিয়েছেন এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনে দিবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।


গভর্ণিং বডি অনুমোদন হয় ১৭-১০-২০২৩ইং তারিখে। অথচ পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনের পূর্বেই অধ্যক্ষ মাদরাসার এডহক কমিটির মাননীয় সভাপতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সুনামগঞ্জ, এর স্বাক্ষর ব্যাতিরেখে নতুন সভাপতির মোঃ আবিবুল বারীর স্বাক্ষরে শিক্ষকদের তিন মাসের মাসিক সরকারী বেতন জুন, জুলাই ও আগস্ট ২০২৩ইং সনের উত্তোলন করেন এবং ০৫-০৭-২০২৩ইং ও ১০-০৯-২০২৩ইং তারিখ দুটি গভর্ণিংবডির সভা করেছেন, যা সম্পূর্ণ বিধি বহির্ভূত ও স্বেচ্ছাচারিতার বহিপ্রকাশ এবং অধ্যক্ষ সাহেব যে দুর্নীতি পরায়ন তার স্বাক্ষ্য বহন করে।

ডিজি প্রতিনিধি মনোনয়নের প্রস্তাবনা পত্রে অধ্যক্ষ সাহেব এডহক কমিটির সভাপতি মহোদয়ের প্রতি স্বাক্ষর ব্যতীত ডিজি মহোদয় বরাবর প্রস্তাবনা প্রেরণ করেন যা ডিজি মহোদয়ের নিকট গ্রহণযোগ্য হয় নাই। অতঃপর এডহক কমিটির সভাপতি মহোদয় স্বপ্রণোদিত হয়ে স্বীয় প্রতিস্বাক্ষরিত ও স্থানীয় এম,পির ডিও লেটারসহ ডিজি বরাবর প্রস্তাবনা প্রেরণের জন্য অধ্যক্ষ সাহেবকে মোবাইলের মাধ্যমে ফোন করেও তা প্রেরণ করাতে না পেরে এডহক কমিটির সভাপতি মহোদয় নিজেই স্থানীয় এম,পির ডিও লেটারসহ নিজ স্বাক্ষরিত প্রস্তাবনা ডিজি মহোদয় বরাবরে প্রেরণ করেন। ডিজি মহোদয় উক্ত প্রস্তাবনা গ্রহণ করে হবিবপুর কেশবপুর ফাজিল মাদ্রাসা গভর্ণিং বডি ডিজি প্রতিনিধি হিসাবে ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম পারভেজ কে অনুমোদন প্রদান করেন এবং ওয়েবসাইটসহ অধ্যক্ষের নিকটও অনুমোদনের কপি প্রেরণ করেন। কিন্তু অধ্যক্ষ সাহেব এখন পর্যন্ত ডিজি প্রতিনিধিকে যথাযথভাবে কমিটির সদস্য বলে গ্রহণ করতে অসম্মতি জ্ঞাপন করে কমিটির সভায় অংশগ্রহণের জন্য আহবান করছেন না, যা বিধি বহির্ভূত, স্বেচ্ছাচারিতা ও অসদাচরণের বহিঃপ্রকাশ।

অনিয়মের বিষয়ে মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুল হাকীমের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোনটি রিসিভ না হওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। এব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা জগন্নাথপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার অরূপ কুমার রায় বলেন,  অভিযোগের বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করা হয়েছে। যাছাই বাছাই করে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

শেয়ার করুন