এবিসি ন্যাশনাল নিউজ২৪ ইপেপার

ব্রেকিং নিউজঃ
ভূরুঙ্গামারীতে ইসলামী যুব আন্দোলনের আয়োজনে ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  বগুড়ার তথাকথিত ‘মিনি জাফলংয়ে গোসল করতে গিয়ে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু বাগমারায় ছুরিকাঘাত ও গনপিটুনিতে নিহত-২  আহত ৬ পুলিশ সদস্য  আমতলী তে স্ত্রী কে কুপিয়ে হাত কর্তন করলো স্বামী। বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার সাথে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বৈঠক আগামী পরশু রাম নবমীতে শান্তি শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ মমতার  নিষিদ্ধ ঘো‌ষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেফতার ঈদ আনন্দেও অবহেলিত নয় মা ও শিশু স্বাস্থ্য: বটিয়াঘাটায় বিশেষ সেবা প্রদান শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবু’র সহযোগী সন্ত্রাসীদের অস্ত্র-গোলাবারুদ, বৈদেশিক মুদ্রা ও বিপুল পরিমাণ টাকাসহ গ্রেফতার জয়পুরহাটের টাউন হলটি যেন ভুতুড়ে বাড়ি

রাবি শিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে দিল ছাত্রলীগ নেতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৯:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩ ১৬৫ বার পড়া হয়েছে

 

পাভেল ইসলাম মিমুল স্টাফ রিপোর্টার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আবাসিক ছাত্রকে হুমকি দিয়ে কক্ষ থেকে নামিয়ে দিয়েছে ছাত্রলীগ।
সোমবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৮ টার দিকে মাদারবক্স হলে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম কেরাতুল ইসলাম সাদ বিন সরকারকে। তিনি ফাইনান্স বিভাগের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

হুমকিদাতা ছাত্রলীগ নেতা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদারবক্স হল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত সরকার।

প্রত্যক্ষদর্শী ও হল সূত্রে জানান, সোমবার রাতে জয়ন্ত ও তার অনুসারীরা হলের ৪০৫ নম্বর কক্ষে গিয়ে কেরাতুল ইসলামকে সিট ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য হুমকি দেন। কিন্তু কেরাতুল ইসলাম তার বৈধ সিট ছেড়ে যেতে অস্বীকৃতি জানান।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারার হুমকি দিয়ে ওই কক্ষের মেঝেতেও না থাকার জন্য হুমকি দিয়ে বিছানাপত্র বের করে ওই সিটে রবীন খান নামে এক শিক্ষার্থীকে তুলে দেন। রবীন খান অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী বলেন, আমি এই হলের ৪০৫ নম্বর রুমের আবাসিক ছাত্র। তা হওয়া সত্ত্বেও ছাত্রলীগের নেতাজর্মীরা এসে আমাকে সিট থেকে নেমে যাওয়ার জন্য বারবার হুমকি দেয়। রাতের বেলা যাওয়ার জায়গা নেই বলার পরেও তারা জানায় এই রুমের মেঝেতেও যেন আমি না থাকি। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এ বিষয় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা জয়ন্ত সরকার বলেন, হলের ৪১৮ নম্বর কক্ষ আমার ছিল সেখানে মামুন ( বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি গোলাম কিবরিয়ার অনুসারী) তার ছেলে তুলেছে। এজন্য আজ তার ৪০৫ নম্বর কক্ষে আমার ছেলেকে তুলি।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে হল প্রাধ্যক্ষ ড. মো. শামিম হোসাইন বলেন, ঘটনা টি একটু আগেই শুনলাম। আমি যেহেতু এই হলের অভিভাবক, আমি কাল হলে গিয়ে বিষয়টি দেখবো।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, নিরাপত্তাহীনতার কোনো সুযোগ নাই, গার্ডের সাথেও আমার কথা হয়েছে। তারা দু’জন এখন বেড শেয়ার করে আছে।

শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

রাবি শিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে দিল ছাত্রলীগ নেতা

আপডেট সময় : ০৮:০৯:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩

 

পাভেল ইসলাম মিমুল স্টাফ রিপোর্টার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আবাসিক ছাত্রকে হুমকি দিয়ে কক্ষ থেকে নামিয়ে দিয়েছে ছাত্রলীগ।
সোমবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৮ টার দিকে মাদারবক্স হলে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম কেরাতুল ইসলাম সাদ বিন সরকারকে। তিনি ফাইনান্স বিভাগের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

হুমকিদাতা ছাত্রলীগ নেতা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদারবক্স হল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত সরকার।

প্রত্যক্ষদর্শী ও হল সূত্রে জানান, সোমবার রাতে জয়ন্ত ও তার অনুসারীরা হলের ৪০৫ নম্বর কক্ষে গিয়ে কেরাতুল ইসলামকে সিট ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য হুমকি দেন। কিন্তু কেরাতুল ইসলাম তার বৈধ সিট ছেড়ে যেতে অস্বীকৃতি জানান।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারার হুমকি দিয়ে ওই কক্ষের মেঝেতেও না থাকার জন্য হুমকি দিয়ে বিছানাপত্র বের করে ওই সিটে রবীন খান নামে এক শিক্ষার্থীকে তুলে দেন। রবীন খান অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী বলেন, আমি এই হলের ৪০৫ নম্বর রুমের আবাসিক ছাত্র। তা হওয়া সত্ত্বেও ছাত্রলীগের নেতাজর্মীরা এসে আমাকে সিট থেকে নেমে যাওয়ার জন্য বারবার হুমকি দেয়। রাতের বেলা যাওয়ার জায়গা নেই বলার পরেও তারা জানায় এই রুমের মেঝেতেও যেন আমি না থাকি। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এ বিষয় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা জয়ন্ত সরকার বলেন, হলের ৪১৮ নম্বর কক্ষ আমার ছিল সেখানে মামুন ( বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি গোলাম কিবরিয়ার অনুসারী) তার ছেলে তুলেছে। এজন্য আজ তার ৪০৫ নম্বর কক্ষে আমার ছেলেকে তুলি।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে হল প্রাধ্যক্ষ ড. মো. শামিম হোসাইন বলেন, ঘটনা টি একটু আগেই শুনলাম। আমি যেহেতু এই হলের অভিভাবক, আমি কাল হলে গিয়ে বিষয়টি দেখবো।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, নিরাপত্তাহীনতার কোনো সুযোগ নাই, গার্ডের সাথেও আমার কথা হয়েছে। তারা দু’জন এখন বেড শেয়ার করে আছে।

শেয়ার করুন