এবিসি ন্যাশনাল নিউজ২৪ ইপেপার

বাজার নিয়ন্ত্রণে অঞ্চলভিত্তিক ফসল উৎপাদন করতে হবে:এমপি আবুল কালাম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মার্চ ২০২৪ ১৭৩ বার পড়া হয়েছে

লালপুর(নাটোর)প্রতিনিধি:

অঞ্চলভিত্তিক ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং কৃষকদের ফসলের ন্যাযমূল্য নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ।

রবিবার (৩ মার্চ) বেলা ১২ টার দিকে নাটোরের লালপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষি ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমাদের কৃষি ও কৃষকদের সুরক্ষা করতে হলে অঞ্চলভিত্তিক ফসল উৎপাদন করতে হবে। দেশে চাহিদার ওপর ভিত্তি করে উৎপাদনের মাত্রা নির্ধারণ করে সেটা ঢাকা বা কেন্দ্র থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। যে অঞ্চলে ধানের ফলন ভালো হবে তারা ধান আবাদ করবে। যাদের এলাকা গম বা পেঁয়াজ, মরিচ চাষের উপযোগী, তারা সেটায় উৎপাদন করবে। তাহলে ফসলের উৎপাদন কমবেশি হবে না। এতে বাজারও উঠানামা করবে না। কৃষক তার ন্যাযমূল্য পাবে এবং সারাবছর নিত্যপ্রয়োজনী জিনিসপত্র ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে থাকবে।’

সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন রাজনৈতিক স্বাধীনতা ব্যর্থ হয়ে যায় যদি অর্থনৈতিক মুক্তি না হয়। প্রধানমন্ত্রী এই পনেরো বছরে দেশকে অর্থনৈতিক মুক্তি দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছেন। কৃষিতে আধুনিক ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে।

এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আখতারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইসাহাক আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আফতাব হোসেন ঝুলফু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হৌড় প্রমূখ।

শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

বাজার নিয়ন্ত্রণে অঞ্চলভিত্তিক ফসল উৎপাদন করতে হবে:এমপি আবুল কালাম

আপডেট সময় : ১১:৩৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মার্চ ২০২৪

লালপুর(নাটোর)প্রতিনিধি:

অঞ্চলভিত্তিক ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং কৃষকদের ফসলের ন্যাযমূল্য নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ।

রবিবার (৩ মার্চ) বেলা ১২ টার দিকে নাটোরের লালপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষি ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমাদের কৃষি ও কৃষকদের সুরক্ষা করতে হলে অঞ্চলভিত্তিক ফসল উৎপাদন করতে হবে। দেশে চাহিদার ওপর ভিত্তি করে উৎপাদনের মাত্রা নির্ধারণ করে সেটা ঢাকা বা কেন্দ্র থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। যে অঞ্চলে ধানের ফলন ভালো হবে তারা ধান আবাদ করবে। যাদের এলাকা গম বা পেঁয়াজ, মরিচ চাষের উপযোগী, তারা সেটায় উৎপাদন করবে। তাহলে ফসলের উৎপাদন কমবেশি হবে না। এতে বাজারও উঠানামা করবে না। কৃষক তার ন্যাযমূল্য পাবে এবং সারাবছর নিত্যপ্রয়োজনী জিনিসপত্র ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে থাকবে।’

সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন রাজনৈতিক স্বাধীনতা ব্যর্থ হয়ে যায় যদি অর্থনৈতিক মুক্তি না হয়। প্রধানমন্ত্রী এই পনেরো বছরে দেশকে অর্থনৈতিক মুক্তি দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছেন। কৃষিতে আধুনিক ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে।

এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আখতারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইসাহাক আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আফতাব হোসেন ঝুলফু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হৌড় প্রমূখ।

শেয়ার করুন