এবিসি ন্যাশনাল নিউজ২৪ ইপেপার

ব্রেকিং নিউজঃ
মিয়ানমারের ভূমিকম্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী ও মেডিকেল টিমের অভিযান অব্যাহত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বঙ্গে একজন প্রতিবন্ধী প্রার্থী কে বাদ দিয়ে চাকরি হারালেন ছাব্বিশ হাজার শিক্ষক  সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত কুড়িগ্রামের হাইওয়ে রোডে ও বাস কাউন্টারে জরিমানা ভুরুঙ্গামারীতে শরিফুল ইসলাম বাবু (৩২)কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।  জয়পুরহাট সরকারি কলেজে ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী বটিয়াঘাটায় অর্ধশতাধিক পূজা মন্ডপে বাসন্তি পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে । এসপির প্রত্যাহার চায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শ্রীপুরে মহুয়া ট্রেনের বগিতে হঠাৎ  আগুন, ট্রেন চলাচল বন্ধ ভেড়ামারা অনলাইন প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মাঝে ঈদ উপহার গেঞ্জি বিতরণ

বাংলাদেশে আরো গম রপ্তানিতে আগ্রহী রাশিয়া

এবিসি ন্যাশনাল ডেক্স নিউজ
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৭:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৪ ২৫৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে আরো গম
রপ্তানিতে আগ্রহী রাশিয়া

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশে গম রপ্তানি বৃদ্ধির আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার ভিকেনতেভিচ মান্টিটস্কি।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে খাদ্যমন্ত্রীর অফিসে তাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। দ্বিতীয় মেয়াদে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় সাধন চন্দ্রকে অভিনন্দন জানান মান্টিটস্কি।

বৈঠকে উপস্থিত খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকতা বলেন, “বাংলাদেশে গম রপ্তানির আগ্রহ প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে।”

সাক্ষাৎকালে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক ‘অত্যন্ত চমৎকার’। এ সম্পর্ক বাণিজ্য-বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্রমান্বয়ে সম্প্রসারিত হচ্ছে। রাশিয়া বাংলাদেশের ‘গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী, বন্ধু’।

রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ‘অপার সম্ভাবনা’ রয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে রাশিয়া ভূমিকা রাখতে আগ্রহী।

গম রপ্তানির আগ্রহ প্রকাশ করায় খাদ্যমন্ত্রী রাশিয়ার দূতকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, দ্বি-পক্ষীয় সম্পর্কোন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

খাদ্য সচিব মো. ইসমাইল হোসেন, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেনসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে প্রতিবছর গমের যে চাহিদা, তার বেশিরভাগটা পূরণ করতে হয় আমদানি করে। এর তার একটি বড় অংশ আসে রাশিয়া ও ইউক্রেইন থেকে।

রাশিয়া-ইউ্ক্রেইন যুদ্ধ শুর হওয়ার পর আমদানি নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় দেশে আটার দাম বেড়ে যায়। ওই পরিস্থিতিতেও সরকার রাশিয়া থেকে কয়েক দফা গম কিনেছে দেশের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করেছে।

পরে ইউক্রেনের বন্দর থেকে বিনা বাধায় শস্য রপ্তানির বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি হলে দুই দেশ থেকেই গম কিনেছে বাংলাদেশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাশিয়া থেকে ১৫ লাখ ৫৫ হাজার টন এবং ইউক্রেইন থেকে ১৩ লাখ টন গম আমদানি হয়। এর বাইরে কানাডা ও ভারত থেকেও গম কেনে বাংলাদেশ।

শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশে আরো গম রপ্তানিতে আগ্রহী রাশিয়া

আপডেট সময় : ০৮:৫৭:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৪

বাংলাদেশে আরো গম
রপ্তানিতে আগ্রহী রাশিয়া

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশে গম রপ্তানি বৃদ্ধির আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার ভিকেনতেভিচ মান্টিটস্কি।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে খাদ্যমন্ত্রীর অফিসে তাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। দ্বিতীয় মেয়াদে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় সাধন চন্দ্রকে অভিনন্দন জানান মান্টিটস্কি।

বৈঠকে উপস্থিত খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকতা বলেন, “বাংলাদেশে গম রপ্তানির আগ্রহ প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে।”

সাক্ষাৎকালে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক ‘অত্যন্ত চমৎকার’। এ সম্পর্ক বাণিজ্য-বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্রমান্বয়ে সম্প্রসারিত হচ্ছে। রাশিয়া বাংলাদেশের ‘গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী, বন্ধু’।

রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ‘অপার সম্ভাবনা’ রয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে রাশিয়া ভূমিকা রাখতে আগ্রহী।

গম রপ্তানির আগ্রহ প্রকাশ করায় খাদ্যমন্ত্রী রাশিয়ার দূতকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, দ্বি-পক্ষীয় সম্পর্কোন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

খাদ্য সচিব মো. ইসমাইল হোসেন, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেনসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে প্রতিবছর গমের যে চাহিদা, তার বেশিরভাগটা পূরণ করতে হয় আমদানি করে। এর তার একটি বড় অংশ আসে রাশিয়া ও ইউক্রেইন থেকে।

রাশিয়া-ইউ্ক্রেইন যুদ্ধ শুর হওয়ার পর আমদানি নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় দেশে আটার দাম বেড়ে যায়। ওই পরিস্থিতিতেও সরকার রাশিয়া থেকে কয়েক দফা গম কিনেছে দেশের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করেছে।

পরে ইউক্রেনের বন্দর থেকে বিনা বাধায় শস্য রপ্তানির বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি হলে দুই দেশ থেকেই গম কিনেছে বাংলাদেশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাশিয়া থেকে ১৫ লাখ ৫৫ হাজার টন এবং ইউক্রেইন থেকে ১৩ লাখ টন গম আমদানি হয়। এর বাইরে কানাডা ও ভারত থেকেও গম কেনে বাংলাদেশ।

শেয়ার করুন