এবিসি ন্যাশনাল নিউজ২৪ ইপেপার

নীলফামারী ডোমার বিএডিসি খামারে আউশ ধানের বাম্পার ফলন 

মোঃ সামিউল আলম সায়মন
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৫:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৩ ১৯২ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধিঃ

নীলফামারীর ডোমারে বিএডিসি খামারে আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এখন চলছে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের উৎসব। হাসি লেগে আছে কৃষকের চোখেমুখে। ব্যস্ত সময় পারছেন তারা। আউশ ধান থেকে উন্নত বীজ তৃণমূল কৃষকদের দেয়ার কথা জানিয়েছেন খামার কর্তৃপক্ষ।

 

নীলফামারীর ডোমার বিএডিসি খামারের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে আউশের ক্ষেত। যে দিকে চোখ যায় শুধু সোনালী ধানের দোল খাওয়ার দৃশ্য। প্রকৃতি যেন সেজেছে হলুদ রঙে। আউশ ধানের মাঠ দেখে খুশি কৃষকরা। ইতোমধ্যে কিছু জমির ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ শুরু হয়েছে।

 

২৫৫ একর জমির খামারটিতে আগে শুধু আলু চাষাবাদ করা হতো। আলু উঠানোর পর কয়েক মাস জমিগুলো পতিত থাকতো। এখন উন্নত প্রযুক্তি ও ভাল মানের বীজ ব্যবহার করে আউশ ধান আবাদ করা হচ্ছে। ভালো ফলনে আউশ আবাদে ঝুঁকে পড়েছে এলাকার কৃষকরা।

 

বাংলাদেশের জমিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ খুবই কমে যাচ্ছে। যা হতাশাজনক। তাই মাটিতে জৈব পদার্থ বৃদ্ধির লক্ষে কাজ করা হচ্ছে বলে জানান কৃষিবিদ সুব্রত মজুমদার।

 

আবাদি জমির সদ্ব্যবহার এবং এক ফসলি জমিকে তিন ফসলি জমিতে রূপান্তরের লক্ষে কাজ করা হচ্ছে বলে জানান কৃষিবিদ আবু তালেব মিয়া।

 

চলতি মৌসুমে ২৫৫ একর জমিতে আউশ ধান আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৩২ মেট্রিক টন। তবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ধানের উৎপাদন বেশি হবে বলে আশা করছেন খামার কর্তৃপক্ষ।

শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

নীলফামারী ডোমার বিএডিসি খামারে আউশ ধানের বাম্পার ফলন 

আপডেট সময় : ০৭:৪৫:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৩

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধিঃ

নীলফামারীর ডোমারে বিএডিসি খামারে আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এখন চলছে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের উৎসব। হাসি লেগে আছে কৃষকের চোখেমুখে। ব্যস্ত সময় পারছেন তারা। আউশ ধান থেকে উন্নত বীজ তৃণমূল কৃষকদের দেয়ার কথা জানিয়েছেন খামার কর্তৃপক্ষ।

 

নীলফামারীর ডোমার বিএডিসি খামারের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে আউশের ক্ষেত। যে দিকে চোখ যায় শুধু সোনালী ধানের দোল খাওয়ার দৃশ্য। প্রকৃতি যেন সেজেছে হলুদ রঙে। আউশ ধানের মাঠ দেখে খুশি কৃষকরা। ইতোমধ্যে কিছু জমির ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ শুরু হয়েছে।

 

২৫৫ একর জমির খামারটিতে আগে শুধু আলু চাষাবাদ করা হতো। আলু উঠানোর পর কয়েক মাস জমিগুলো পতিত থাকতো। এখন উন্নত প্রযুক্তি ও ভাল মানের বীজ ব্যবহার করে আউশ ধান আবাদ করা হচ্ছে। ভালো ফলনে আউশ আবাদে ঝুঁকে পড়েছে এলাকার কৃষকরা।

 

বাংলাদেশের জমিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ খুবই কমে যাচ্ছে। যা হতাশাজনক। তাই মাটিতে জৈব পদার্থ বৃদ্ধির লক্ষে কাজ করা হচ্ছে বলে জানান কৃষিবিদ সুব্রত মজুমদার।

 

আবাদি জমির সদ্ব্যবহার এবং এক ফসলি জমিকে তিন ফসলি জমিতে রূপান্তরের লক্ষে কাজ করা হচ্ছে বলে জানান কৃষিবিদ আবু তালেব মিয়া।

 

চলতি মৌসুমে ২৫৫ একর জমিতে আউশ ধান আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৩২ মেট্রিক টন। তবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ধানের উৎপাদন বেশি হবে বলে আশা করছেন খামার কর্তৃপক্ষ।

শেয়ার করুন