এবিসি ন্যাশনাল নিউজ২৪ ইপেপার

ব্রেকিং নিউজঃ
মিয়ানমারের ভূমিকম্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী ও মেডিকেল টিমের অভিযান অব্যাহত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বঙ্গে একজন প্রতিবন্ধী প্রার্থী কে বাদ দিয়ে চাকরি হারালেন ছাব্বিশ হাজার শিক্ষক  সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত কুড়িগ্রামের হাইওয়ে রোডে ও বাস কাউন্টারে জরিমানা ভুরুঙ্গামারীতে শরিফুল ইসলাম বাবু (৩২)কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।  জয়পুরহাট সরকারি কলেজে ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী বটিয়াঘাটায় অর্ধশতাধিক পূজা মন্ডপে বাসন্তি পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে । এসপির প্রত্যাহার চায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শ্রীপুরে মহুয়া ট্রেনের বগিতে হঠাৎ  আগুন, ট্রেন চলাচল বন্ধ ভেড়ামারা অনলাইন প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মাঝে ঈদ উপহার গেঞ্জি বিতরণ

আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের ফজিলত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০২৩ ৩১৪ বার পড়া হয়েছে

 

আল্লাহ তায়ালা মানুষকে আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। বান্দা আল্লাহর কাছে আবেদন ছাড়াই মহামূল্যবান জীবন, প্রখর মেধা ও তীক্ষ্ণ জ্ঞান-বুদ্ধি, নাক, কান, চোখ, মুখ, জিহ্বা, হাত-পাসহ অসংখ্য নিয়ামাত লাভ করেছে।এ সুন্দর পৃথিবীতে বসবাসের উপযুক্ত পরিবেশ, আলো, বাতাস, পানি ও প্রয়োজনীয় অসংখ্য নিয়ামাত লাভ করেছে। যার জন্য আল্লাহ তায়ালা মানুষের কাছে কোনো কিছুই চান না। শুধুমাত্র তাঁর শুকরিয়া আদায় ছাড়া। সুতরাং আল্লাহর এ অগণিত অসংখ্য নিয়ামাতের সুবিধা ভোগের বিপরীতে শুধুমাত্র তার শুকরিয়া আদায় বা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনই যথেষ্ট। আল্লাহ তায়ালা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনে সবচেয়ে বেশি সন্তুষ্ট হন।এ জন্য আল্লাহ তায়ালা মানুষকে তাঁর অসংখ্য নিয়ামাতের শুকরিয়া আদায়ের কথা কোরআনের বিভিন্ন জায়গায় উল্লেখ করেছেন। যার কিছু তুলে ধরা হলো- যখন তোমাদের পালনকর্তা ঘোষণা করলেন যে, যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর, তবে তোমাদেরকে আরও দেব এবং যদি অকৃতজ্ঞ হও তবে নিশ্চয়ই আমার শাস্তি হবে কঠোর। (সুরা ইবরাহিম : আয়াত ৭) আমি লোকমানকে প্রজ্ঞা দান করেছি এই মর্মে যে, আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ হও। যে কৃতজ্ঞ হয়, সে তো কেবল নিজ কল্যাণের জন্যই কৃতজ্ঞ হয়। আর যে অকৃতজ্ঞ হয়, আল্লাহ অভাবমুক্ত, প্রশংসিত। (সুরা লোকমান : আয়াত ১২) অতএব, আল্লাহ তোমাদেরকে যেসব হালাল ও পবিত্র বস্তু দিয়েছেন, তা তোমরা আহার কর এবং আল্লাহর অনুগ্রহের জন্যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর যদি তোমরা তাঁরই ইবাদাতকারী হয়ে থাকো। (সুরা নাহল : আয়াত ১১৪)সুতরাং এ কথা স্মরণযোগ্য যে, বান্দা যদি আল্লাহর নিয়ামাতের শুকরিয়া আদায় করে এবং তাঁর অবাধ্য কাজ থেকে বিরত থাকে তবে আল্লাহ তায়ালা বান্দার প্রতি নিয়ামাত আরো বাড়িয়ে দেয়ার অঙ্গীকার করেছেন।এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ছোট্ট একটি হাদিস উল্লেখ করা যায়, ‘যে ব্যক্তি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের তাওফিক প্রাপ্ত হয়, সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামাত ও বরকত বৃদ্ধি থেকে বঞ্চিত হয় না। মহান আল্লাহ তায়ালা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহকে তাঁর অবাধ্য না হয়ে প্রাপ্ত নিয়ামাতের শুকরিয়া আদায় করার তাওফিক দান করুন আল্লাহুম্মা আমিন।

লেখক: বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী ছাহেব।

শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের ফজিলত

আপডেট সময় : ০৭:১৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০২৩

 

আল্লাহ তায়ালা মানুষকে আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। বান্দা আল্লাহর কাছে আবেদন ছাড়াই মহামূল্যবান জীবন, প্রখর মেধা ও তীক্ষ্ণ জ্ঞান-বুদ্ধি, নাক, কান, চোখ, মুখ, জিহ্বা, হাত-পাসহ অসংখ্য নিয়ামাত লাভ করেছে।এ সুন্দর পৃথিবীতে বসবাসের উপযুক্ত পরিবেশ, আলো, বাতাস, পানি ও প্রয়োজনীয় অসংখ্য নিয়ামাত লাভ করেছে। যার জন্য আল্লাহ তায়ালা মানুষের কাছে কোনো কিছুই চান না। শুধুমাত্র তাঁর শুকরিয়া আদায় ছাড়া। সুতরাং আল্লাহর এ অগণিত অসংখ্য নিয়ামাতের সুবিধা ভোগের বিপরীতে শুধুমাত্র তার শুকরিয়া আদায় বা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনই যথেষ্ট। আল্লাহ তায়ালা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনে সবচেয়ে বেশি সন্তুষ্ট হন।এ জন্য আল্লাহ তায়ালা মানুষকে তাঁর অসংখ্য নিয়ামাতের শুকরিয়া আদায়ের কথা কোরআনের বিভিন্ন জায়গায় উল্লেখ করেছেন। যার কিছু তুলে ধরা হলো- যখন তোমাদের পালনকর্তা ঘোষণা করলেন যে, যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর, তবে তোমাদেরকে আরও দেব এবং যদি অকৃতজ্ঞ হও তবে নিশ্চয়ই আমার শাস্তি হবে কঠোর। (সুরা ইবরাহিম : আয়াত ৭) আমি লোকমানকে প্রজ্ঞা দান করেছি এই মর্মে যে, আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ হও। যে কৃতজ্ঞ হয়, সে তো কেবল নিজ কল্যাণের জন্যই কৃতজ্ঞ হয়। আর যে অকৃতজ্ঞ হয়, আল্লাহ অভাবমুক্ত, প্রশংসিত। (সুরা লোকমান : আয়াত ১২) অতএব, আল্লাহ তোমাদেরকে যেসব হালাল ও পবিত্র বস্তু দিয়েছেন, তা তোমরা আহার কর এবং আল্লাহর অনুগ্রহের জন্যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর যদি তোমরা তাঁরই ইবাদাতকারী হয়ে থাকো। (সুরা নাহল : আয়াত ১১৪)সুতরাং এ কথা স্মরণযোগ্য যে, বান্দা যদি আল্লাহর নিয়ামাতের শুকরিয়া আদায় করে এবং তাঁর অবাধ্য কাজ থেকে বিরত থাকে তবে আল্লাহ তায়ালা বান্দার প্রতি নিয়ামাত আরো বাড়িয়ে দেয়ার অঙ্গীকার করেছেন।এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ছোট্ট একটি হাদিস উল্লেখ করা যায়, ‘যে ব্যক্তি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের তাওফিক প্রাপ্ত হয়, সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামাত ও বরকত বৃদ্ধি থেকে বঞ্চিত হয় না। মহান আল্লাহ তায়ালা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহকে তাঁর অবাধ্য না হয়ে প্রাপ্ত নিয়ামাতের শুকরিয়া আদায় করার তাওফিক দান করুন আল্লাহুম্মা আমিন।

লেখক: বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী ছাহেব।

শেয়ার করুন