ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এবিসি ন্যাশনাল নিউজ২৪ ইপেপার

ব্রেকিং নিউজঃ
খোকসা উসাসের পক্ষে থেকে নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যানকে ফুলের শুভেচ্ছা। বগুড়ায় নারী চিকিৎসক মাত্রাতিরিক্ত ঘুমের ট্যালেট সেবনে আত্মহত্যা তিস্তা সেতুর মাঝখানে ফাটল আতঙ্কে পথযাত্রীরা। ঈমান রক্ষার দোয়া। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয় বাংলাদেশ: শেখ হাসিনা আমতলীতে বৌ-ভাতের অনুষ্ঠানে আসার পথে ব্রীজ ভেঙ্গে ৯জন নিহত ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরও গভীর করতে ৭টি নতুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশের অভিযানে ৫ মাদক ব্যবসায়ি গ্রেফতার –মাদক উদ্ধার ! দিল্লী সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁওয়ের স্ত্রীর মামলার আসামি পলাতক স্বামী জাহাঙ্গীর আলম গ্রেফতার ।

🔤 পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এক সুইডিশ বিচারপতি কেন বাংলাদেশে সমাহিত হতে চান !

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৭:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২২ ৪৮ বার পড়া হয়েছে

আফতাব পারভেজ, ডেস্ক নিউজ।

বাংলাদেশের নাগরিকত্ব এবং বাংলাদেশের মাটিতে সমাহিত হওয়ার ইচ্ছা জানিয়ে বাংলাদেশের সরকার ও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের কাছে সৈয়দ আসিফ শাহকার চিঠি লিখেছিলেন আরো প্রায় আট বছর আগে, ২০১৪ সালে।

 

কিন্তু বাংলাদেশের সরকারের কাছ থেকে তিনি কোন সাড়া পাননি।

 

এবার তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একটি চিঠি লিখেছেন, যেখানে তিনি তাকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়া এবং তার মৃত্যুর পর বাংলাদেশের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

উনিশশো একাত্তর সালে মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার জন্য বাংলাদেশের সরকার ২০১২ সালের ডিসেম্বরে বিচারপতি শাহকারকে ‘ফ্রেন্ডস অব লিবারেশন ওয়ার’ সম্মাননা দিয়েছে।

 

তার লেখা চিঠিটি এ সপ্তাহে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে ‘আমরা একাত্তর’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

 

এই সংগঠনটি ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সংঘটিত গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের দাবিতে কাজ করছে।

 

এক পর্যায়ে অতিষ্ঠ হয়ে ১৯৭৭ সালে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে সুইডেনে চলে যান তিনি।

 

সুইডেনে তিনি আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং আইন পেশায় যুক্ত হন।

 

এ সময়েই তিনি মানবাধিকার এবং গণহত্যা ইস্যুতে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে যুক্ত হন।

 

তিন সন্তানের জনক বিচারপতি শাহকারের স্ত্রীও একজন সুইডিশ আইনজীবী।

 

স্বীকৃতি হিসেবে তাকে ‘ফ্রেন্ডস অব লিবারেশন ওয়ার’ সম্মাননা দেয়।

 

‘মানসিকভাবে তিনি সবসময় বাংলাদেশের সাথে ‘বিলং’ করেন’ জানিয়ে তিনি বলেছেন, সে কারণে তিনি চান বাংলাদেশের নাগরিক হতে এবং তার মৃত্যুর পর এই দেশে সমাহিত হতে।

 

বিবিসিকে তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশের নাগরিক না হলে যেহেতু সেখানে সমাধিস্থ হতে পারবো না, তাই, বাংলাদেশের নাগরিকত্ব চেয়ে আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে চিঠি লিখেছি।” সুত্র:বিবিসি ।

শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

🔤 পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এক সুইডিশ বিচারপতি কেন বাংলাদেশে সমাহিত হতে চান !

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২২

আফতাব পারভেজ, ডেস্ক নিউজ।

বাংলাদেশের নাগরিকত্ব এবং বাংলাদেশের মাটিতে সমাহিত হওয়ার ইচ্ছা জানিয়ে বাংলাদেশের সরকার ও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের কাছে সৈয়দ আসিফ শাহকার চিঠি লিখেছিলেন আরো প্রায় আট বছর আগে, ২০১৪ সালে।

 

কিন্তু বাংলাদেশের সরকারের কাছ থেকে তিনি কোন সাড়া পাননি।

 

এবার তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একটি চিঠি লিখেছেন, যেখানে তিনি তাকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়া এবং তার মৃত্যুর পর বাংলাদেশের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

উনিশশো একাত্তর সালে মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার জন্য বাংলাদেশের সরকার ২০১২ সালের ডিসেম্বরে বিচারপতি শাহকারকে ‘ফ্রেন্ডস অব লিবারেশন ওয়ার’ সম্মাননা দিয়েছে।

 

তার লেখা চিঠিটি এ সপ্তাহে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে ‘আমরা একাত্তর’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

 

এই সংগঠনটি ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সংঘটিত গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের দাবিতে কাজ করছে।

 

এক পর্যায়ে অতিষ্ঠ হয়ে ১৯৭৭ সালে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে সুইডেনে চলে যান তিনি।

 

সুইডেনে তিনি আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং আইন পেশায় যুক্ত হন।

 

এ সময়েই তিনি মানবাধিকার এবং গণহত্যা ইস্যুতে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে যুক্ত হন।

 

তিন সন্তানের জনক বিচারপতি শাহকারের স্ত্রীও একজন সুইডিশ আইনজীবী।

 

স্বীকৃতি হিসেবে তাকে ‘ফ্রেন্ডস অব লিবারেশন ওয়ার’ সম্মাননা দেয়।

 

‘মানসিকভাবে তিনি সবসময় বাংলাদেশের সাথে ‘বিলং’ করেন’ জানিয়ে তিনি বলেছেন, সে কারণে তিনি চান বাংলাদেশের নাগরিক হতে এবং তার মৃত্যুর পর এই দেশে সমাহিত হতে।

 

বিবিসিকে তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশের নাগরিক না হলে যেহেতু সেখানে সমাধিস্থ হতে পারবো না, তাই, বাংলাদেশের নাগরিকত্ব চেয়ে আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে চিঠি লিখেছি।” সুত্র:বিবিসি ।

শেয়ার করুন