ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এবিসি ন্যাশনাল নিউজ২৪ ইপেপার

ব্রেকিং নিউজঃ
ঠাকুরগাঁওয় পৌরসভার সড়কের বেহাল দশা, অল্প বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় পুরো এলাকা বগুড়ার জোড়া খুনের প্রধান আসামী গ্রেফতার বালিয়াডাঙ্গীতে এইচএসসি ২০০২ ব্যাচের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে শ্যামলী পরিবহনের ধাঁক্কায় এ্যাম্বুলেন্স চালকের মর্মান্তিক মৃত্যু রংপুরে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ডোমারে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো শতবর্ষী অনুষ্ঠান লালমনিরহাটে বজ্রপাতে ৫ টি গবাদিপশু পুড়ে যায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (বিএমএসএস) নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুত ও সাধারণ সম্পাদক মো: জসিম উদ্দিন জসিম ডোমারে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার নামাজ অনুষ্ঠিত পবিত্র ঈদুল আযহার জামাতে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : ডিএমপি কমিশনার

রোগ নিরাময়ে সজিনা পাতার অলৌকিক ক্ষমতা — ডাঃ কামরুল ইসলাম মনা 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৬:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর ২০২২ ২০৩ বার পড়া হয়েছে

আফ্রিকাতে সজিনাকে ‘পুষ্টির ডিনামাইট’ বলা হয়।

🌿 গবেষনা মতে প্রায় ৩০০ রোগের সমাধান করে, এমন উপকারি পাতা পৃথিবীতে ২য় টি আর নেই -সুস্থ থাকতে প্রতিদিন ১ গ্লাস জুসই যথেষ্ট।

বাড়ির চারপাশে হরহামেশা সজিনা গাছ পাওয়া যায় কিন্তু আমরা তেমন একটা গুরুত্ব দিনা। এর গুনাগুন স্বল্প সময়ে লিখে শেষ করা যাবেনা। আসুন জেনে নি সজিনা পাতার গুনাগুন এবং নিয়মিত সেবন করি।

✅ কোষ্ঠ কাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন

✅ গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটি থেকে চিরতরে মুক্তি

✅ উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করে

✅ ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রনে রাখে

✅ হার্ট কে সুস্থ রাখে

✅ রক্ত স্বল্পতা দূর করে

✅ হাড় বা জয়েন্টের পেইন নিরাময়ে সহায়তা করা ছাড়াও,,,

👉ডায়াবেটিস সমস্যায় সজনে পাতা। এটি রক্তে সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।🌿

 

✅ডায়াবেটিস ছাড়াও শ্বাসকষ্ঠ, মাথা ধরা, মাইগ্রেন, আর্থাইটিস এবং চুলপড়া রোগের চিকিৎসায় ও সজিনা কার্যকর ভূমিকা রাখে। তাছাড়া এটি অন্ধত্ব, এ্যানেমিয়া, রক্তস্বল্পতা সহ বিভিন্ন ভিটামিন ঘাটতি জনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে সজনে পাতা দারুণ উপযোগী। এবং এগুলো প্রমানিত।

 

এক কথায় বলতে অনেক গুলো রোগ নিরাময়ে খুবই কার্যকর সজনে পাতা।🌿

 

✅গবেষকরা সজনে পাতাকে নিউট্রিশন্স সুপার ফুড বলে থাকেন এবং সে কারণেই এখন গবেষকরা বলছেন এই সময়ের একটি অলৌকিক পাতা হচ্ছে সজনে পাতা।🌿

 

১. আর্থাইটিস নিরাময়ে খুবই উপকারী সজনে পাতা।

২. শরীরকে ডিটক্সিফাই করে সজনে পাতা।

আমরা জানি যে আমাদের শরীরে ৭০ থেকে ১০০ ট্রিলিয়ন সেল বা কোষ আছে এবং প্রত্যেকটি কোষের মধ্যে লক্ষাধিক রিঅ্যাকশন হয় প্রত্যেকদিন প্রতিমুহূর্তে এবং এই লক্ষাধিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া বিক্রিয়া হতে যেয়ে ভয়াবহ কিছু টক্সিন কিছু বিষানু কিছু ক্ষতিকর পদার্থ এই সেলের মধ্যে তৈরি হয়। এবং এগুলোকে আমরা বলি বর্জ্য পদার্থ টক্সিন ফ্রি-রেডিক্যাল । আর এইগুলো যদি আপনার সেলের ভিতর থেকে যায় তাহলে আপনি কখনোই সুস্থ থাকতে পারবেন না । আর এই সকল বর্জ্য পদার্থ আপনার শরীর থেকে বের করতে সজনে পাতা খেতে পারেন । এবং এই সজনে পাতা দারুন ভাবে বডি ডিটক্স করতে পারে ।

 

৩. এতে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে এবং পালংশাকের চেয়ে তিন গুণ বেশি আয়রণ বিদ্যমান, যা এ্যানেমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

 

৪. সজনে শরীরে কোলেস্টেরল এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও অন্যতম অবদান রাখে।

৫. মানুষের শরীরের প্রায় ২০% প্রোটিন যার গাঠনিক একক হলো এমাইনো এসিড। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মেটাবোলিজম এবং অন্যান্য শারীরবৃত্ত্বীয় কার্যাবলী পরিপূর্ণরূপে সম্পাদনে এমাইনো এসিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। মানুষের শরীরের যে ৯ টি এমাইনো এসিড খাদ্যের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়, তার সবগুলোই এই মরিঙ্গার মধ্যে বিদ্যমান।

 

৬. এটি শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মত কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে।

 

৭. নিয়মিত দৈনিক সেবন শরীরের ডিফেন্স মেকানিজমকে আরো শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হওয়ার দরুন এটি ‘এইডস’ আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

 

৮. এটি শরীরের হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে পুষ্টিবর্ধক হিসেবে কাজ করে।

 

৯. শরীরের ওজন কমাতেও ব্যায়ামের পাশাপাশি এটি বেশ কার্যকরী ভুমিকা পালন করে থাকে।

 

১০. মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। পাতা থেকে তৈরি এক টেবিল চামচ পাউডারে ১৪% প্রোটিন, ৪০% ক্যালসিয়াম, ২৩% আয়রণ বিদ্যমান, যা এক থেকে তিন বছরের শিশুর সুষ্ঠু বিকাশে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় এবং বুকের দুধ খাওয়ানোকালীন সময়ে একজন মায়ের প্রতিদিনের আয়রণ এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে থাকে।

 

১১. এটির এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃত ও কিডনী সুস্থ্য রাখতে এবং রূপের সৌন্দর্য বর্ধক হিসেবেও কাজ করে থাকে।

 

১২. সজনে-তে প্রায় ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের এন্টি-অক্সিডেন্ট বিদ্যমান।

 

১৩. এতে ৩৬ টির মত এন্টি-ইনফ্ল্যামমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এছাড়াও এটি অকাল বার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে এবং ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এতগুলো নিউটন থাকার কারণেই বিজ্ঞানীরা বলছেন সজনে পাতা একটি অলৌকিক পাতা ।

 

বিজ্ঞানীরা পুষ্টির দিক দিয়ে সজিনাকে ‘পুষ্টির ডিনামাইট’ আখ্যায়িত করে বলেন এ গাছটি থেকে পুষ্টি, ঔষধিগুণ ও সারা বছর ফলন পাওয়া যায় বিধায় বাড়ির আঙিনায় এটি একটি ‘মাল্টিভিটামিন বৃক্ষ’ এর পুষ্টিগুণ খাদ্যোপযোগী প্রতি ১০০ গ্রামে খাদ্য শক্তি কি. ক্যাল ৪৩, পানি ৮৫.২ গ্রাম, আমিষ ২.৯ (গ্রাম), চর্বি ০.২ (গ্রাম), শর্করা ৫.১ (গ্রাম), খাদ্য আঁশ ৪.৮ (গ্রাম), ক্যালসিয়াম ২৪ (মি. গ্রাম), আয়রন ০.২ (মি. গ্রাম), জিংক ০.১৬ (মি. গ্রাম), ভিটা-এ ২৬ (মি. গ্রাম), ভিটা-বি১ ০.০৪ (মি. গ্রাম), ভিটা-বি২ (মি. গ্রাম) ০.০৪ ভিটামিন-সি ৬৯.৯ (মি. গ্রাম)।

সূত্র বারটান/২০১৬

 

👉প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস মরিংগা বা সজিনা পাতার জুস খেলে সারাদিনের পুষ্টির চাহিদা মিটিয়ে সুস্থ ও সতেজ রাখবে।মানব দেহের জন্য এর চেয়ে উপকারী পাতা পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি আর নেই।

👉 ১০০% ন্যাচারাল সজিনা পাতার পাউডার অর্ডার করতে ০১৭১২২৭৬৭৫৩

শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রোগ নিরাময়ে সজিনা পাতার অলৌকিক ক্ষমতা — ডাঃ কামরুল ইসলাম মনা 

আপডেট সময় : ০৮:৫৬:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর ২০২২

আফ্রিকাতে সজিনাকে ‘পুষ্টির ডিনামাইট’ বলা হয়।

🌿 গবেষনা মতে প্রায় ৩০০ রোগের সমাধান করে, এমন উপকারি পাতা পৃথিবীতে ২য় টি আর নেই -সুস্থ থাকতে প্রতিদিন ১ গ্লাস জুসই যথেষ্ট।

বাড়ির চারপাশে হরহামেশা সজিনা গাছ পাওয়া যায় কিন্তু আমরা তেমন একটা গুরুত্ব দিনা। এর গুনাগুন স্বল্প সময়ে লিখে শেষ করা যাবেনা। আসুন জেনে নি সজিনা পাতার গুনাগুন এবং নিয়মিত সেবন করি।

✅ কোষ্ঠ কাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন

✅ গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটি থেকে চিরতরে মুক্তি

✅ উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করে

✅ ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রনে রাখে

✅ হার্ট কে সুস্থ রাখে

✅ রক্ত স্বল্পতা দূর করে

✅ হাড় বা জয়েন্টের পেইন নিরাময়ে সহায়তা করা ছাড়াও,,,

👉ডায়াবেটিস সমস্যায় সজনে পাতা। এটি রক্তে সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।🌿

 

✅ডায়াবেটিস ছাড়াও শ্বাসকষ্ঠ, মাথা ধরা, মাইগ্রেন, আর্থাইটিস এবং চুলপড়া রোগের চিকিৎসায় ও সজিনা কার্যকর ভূমিকা রাখে। তাছাড়া এটি অন্ধত্ব, এ্যানেমিয়া, রক্তস্বল্পতা সহ বিভিন্ন ভিটামিন ঘাটতি জনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে সজনে পাতা দারুণ উপযোগী। এবং এগুলো প্রমানিত।

 

এক কথায় বলতে অনেক গুলো রোগ নিরাময়ে খুবই কার্যকর সজনে পাতা।🌿

 

✅গবেষকরা সজনে পাতাকে নিউট্রিশন্স সুপার ফুড বলে থাকেন এবং সে কারণেই এখন গবেষকরা বলছেন এই সময়ের একটি অলৌকিক পাতা হচ্ছে সজনে পাতা।🌿

 

১. আর্থাইটিস নিরাময়ে খুবই উপকারী সজনে পাতা।

২. শরীরকে ডিটক্সিফাই করে সজনে পাতা।

আমরা জানি যে আমাদের শরীরে ৭০ থেকে ১০০ ট্রিলিয়ন সেল বা কোষ আছে এবং প্রত্যেকটি কোষের মধ্যে লক্ষাধিক রিঅ্যাকশন হয় প্রত্যেকদিন প্রতিমুহূর্তে এবং এই লক্ষাধিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া বিক্রিয়া হতে যেয়ে ভয়াবহ কিছু টক্সিন কিছু বিষানু কিছু ক্ষতিকর পদার্থ এই সেলের মধ্যে তৈরি হয়। এবং এগুলোকে আমরা বলি বর্জ্য পদার্থ টক্সিন ফ্রি-রেডিক্যাল । আর এইগুলো যদি আপনার সেলের ভিতর থেকে যায় তাহলে আপনি কখনোই সুস্থ থাকতে পারবেন না । আর এই সকল বর্জ্য পদার্থ আপনার শরীর থেকে বের করতে সজনে পাতা খেতে পারেন । এবং এই সজনে পাতা দারুন ভাবে বডি ডিটক্স করতে পারে ।

 

৩. এতে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে এবং পালংশাকের চেয়ে তিন গুণ বেশি আয়রণ বিদ্যমান, যা এ্যানেমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

 

৪. সজনে শরীরে কোলেস্টেরল এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও অন্যতম অবদান রাখে।

৫. মানুষের শরীরের প্রায় ২০% প্রোটিন যার গাঠনিক একক হলো এমাইনো এসিড। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মেটাবোলিজম এবং অন্যান্য শারীরবৃত্ত্বীয় কার্যাবলী পরিপূর্ণরূপে সম্পাদনে এমাইনো এসিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। মানুষের শরীরের যে ৯ টি এমাইনো এসিড খাদ্যের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়, তার সবগুলোই এই মরিঙ্গার মধ্যে বিদ্যমান।

 

৬. এটি শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মত কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে।

 

৭. নিয়মিত দৈনিক সেবন শরীরের ডিফেন্স মেকানিজমকে আরো শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হওয়ার দরুন এটি ‘এইডস’ আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

 

৮. এটি শরীরের হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে পুষ্টিবর্ধক হিসেবে কাজ করে।

 

৯. শরীরের ওজন কমাতেও ব্যায়ামের পাশাপাশি এটি বেশ কার্যকরী ভুমিকা পালন করে থাকে।

 

১০. মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। পাতা থেকে তৈরি এক টেবিল চামচ পাউডারে ১৪% প্রোটিন, ৪০% ক্যালসিয়াম, ২৩% আয়রণ বিদ্যমান, যা এক থেকে তিন বছরের শিশুর সুষ্ঠু বিকাশে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় এবং বুকের দুধ খাওয়ানোকালীন সময়ে একজন মায়ের প্রতিদিনের আয়রণ এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে থাকে।

 

১১. এটির এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃত ও কিডনী সুস্থ্য রাখতে এবং রূপের সৌন্দর্য বর্ধক হিসেবেও কাজ করে থাকে।

 

১২. সজনে-তে প্রায় ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের এন্টি-অক্সিডেন্ট বিদ্যমান।

 

১৩. এতে ৩৬ টির মত এন্টি-ইনফ্ল্যামমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এছাড়াও এটি অকাল বার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে এবং ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এতগুলো নিউটন থাকার কারণেই বিজ্ঞানীরা বলছেন সজনে পাতা একটি অলৌকিক পাতা ।

 

বিজ্ঞানীরা পুষ্টির দিক দিয়ে সজিনাকে ‘পুষ্টির ডিনামাইট’ আখ্যায়িত করে বলেন এ গাছটি থেকে পুষ্টি, ঔষধিগুণ ও সারা বছর ফলন পাওয়া যায় বিধায় বাড়ির আঙিনায় এটি একটি ‘মাল্টিভিটামিন বৃক্ষ’ এর পুষ্টিগুণ খাদ্যোপযোগী প্রতি ১০০ গ্রামে খাদ্য শক্তি কি. ক্যাল ৪৩, পানি ৮৫.২ গ্রাম, আমিষ ২.৯ (গ্রাম), চর্বি ০.২ (গ্রাম), শর্করা ৫.১ (গ্রাম), খাদ্য আঁশ ৪.৮ (গ্রাম), ক্যালসিয়াম ২৪ (মি. গ্রাম), আয়রন ০.২ (মি. গ্রাম), জিংক ০.১৬ (মি. গ্রাম), ভিটা-এ ২৬ (মি. গ্রাম), ভিটা-বি১ ০.০৪ (মি. গ্রাম), ভিটা-বি২ (মি. গ্রাম) ০.০৪ ভিটামিন-সি ৬৯.৯ (মি. গ্রাম)।

সূত্র বারটান/২০১৬

 

👉প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস মরিংগা বা সজিনা পাতার জুস খেলে সারাদিনের পুষ্টির চাহিদা মিটিয়ে সুস্থ ও সতেজ রাখবে।মানব দেহের জন্য এর চেয়ে উপকারী পাতা পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি আর নেই।

👉 ১০০% ন্যাচারাল সজিনা পাতার পাউডার অর্ডার করতে ০১৭১২২৭৬৭৫৩

শেয়ার করুন