ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এবিসি ন্যাশনাল নিউজ২৪ ইপেপার

ব্রাজিলের খেলার ভক্ত আমি ছোটোবেলা থেকেই তবুও আর্জেন্টিনা আমাকে টানে : আসিফ ইকবাল।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০১:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২ ৪৫ বার পড়া হয়েছে

আফতাব পারভেজ, ডেস্ক নিউজ

গাংচিলের ফাউন্ডার গীতিকার আসিফ ইকবাল সাহেব ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন

ব্রাজিলের খেলার ভক্ত আমি ছোটোবেলা থেকেই তবুও আর্জেন্টিনা আমাকে টানে ।

আমি ফুটবল খেলা মনোযোগের সাথে দেখি আর বিশ্লেষন খুব উপভোগ করি। খেলাটার ট্যাকনিকাল এবং স্ট্রেটিজিক দিকগুলো কর্মক্ষেত্রে অনেক কাজে আসে আমার। ভালো দলগুলোর গুরুত্বপূর্ণ খেলাগুলো দেখার চেষ্টা করি আমি। আজও এক আকাশ প্রত্যাশা নিয়ে আর্জেন্টিনা মেক্সিকোর খেলাটা দেখবো। বলে রাখি ব্রাজিলের খেলার ভক্ত আমি ছোটোবেলা থেকেই। তবুও আর্জেন্টিনা আমাকে টানে দিয়েগো আর লিওর জন্য। তাদের ধ্রুপদী ফুটবল স্কিল আর ফ্লেয়ারের সাথে যোগ করে গতিময়তা।

 

গত খেলার পর নিউজ পোর্টাল এথলেটিক লিখেছিলো সৌদি আরবের কাছে হারার পর মিক্সড জোনে লিওকে দেখে মনে হচ্ছিলো রীতিমত বিধ্বস্ত- এ যেনো এক ম্যাচ হারের চেয়ে অনেক অনেক বেশী কিছু। লিওকে যখন জিজ্ঞেস করা হলো ড্রেসিং রুমের কি অবস্থা, জবাব এলো “দা ট্রুথ – মুয়েরতস” – প্রতিটি খেলোয়াড়ই মৃত। অথচ এর আগের ৩৬ ম্যাচে আর্জেন্টিনা এক ম্যাচও হারেনি! আর্জেন্টিনা সাউথ এমেরিকান ফুটবলের চ্যাম্পিয়ন দল। তাও আবার ব্রাজিলকে হারিয়ে। কি নির্মম। ফুটবল এমনই নিষ্ঠুর।

 

আজকের খেলায় আমি অর্জেন্টিনা থেকে কি প্রত্যাশা করি?

 

আমার প্রত্যাশা আর্জেন্টিনা আত্মবিশ্বাস ফিরে পাক। “কিভাবে শুরু হলো তার চাইতে কিভাবে শেষ হলো” তা মানুষ মনে রাখবে অনেক বেশী। আর এক ম্যাচ হারা মানেই তো টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নয়। বিজয়ী দলও হারতে পারে পরের খেলায়। ফলে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ কিন্তু পুরোই থাকছে।

 

আমার প্রত্যাশা লিওর ওপর চাপ কমাতে ডি মারিয়া, দিবালারা জ্বলে উঠবে। দলে বেশ কিছু পরিবর্তন আসা উচিত। আক্রমনে লওটারো মার্টিনেজ আর ডি মারিয়া সঙ্গী হতে পারে লিওর। সেন্ট্রাল ডিফেন্সে মার্টিনেজের শুরু থেকেই খেলা উচিত। ৪-৩-১-২ সিস্টেমে কোচ স্কালোনি দিবালাকে শুরু থেকেই খেলাতে পারেন। ওর ভার্সেটিলিটি আর মেসির সাথে বোঝাপড়াটা কাজে দেবে। আর লওটারো মার্টিনেজের একজন যোগ্য সঙ্গী হতে পারে জুভেন্টাসের দিবালা। মধ্যমাঠ প্রায় প্রতিটি টীমের জন্যই এক রণক্ষেত্র হয়ে উঠছে। অধিকাংশ গোল আসছে উইং প্লে থেকে। এ ম্যাচেও মধ্যমাঠ দখলে রাখতে আর্জেন্টিনাকে সচেষ্ট থাকতে হবে। উইং প্লে থেকে গোল বের করে নিয়ে আসতে হবে।

 

আশা করি আজ আর্জেন্টিনা একটা সংঘবদ্ধ দল হয়ে উঠবে। চাপ না নিয়ে তাদের সহজাত নান্দনিক ছন্দে গতিময় ফুটবলই খেলবে। এবং জয়ী হয়ে বিশ্বকাপের উত্তেজনা টিকিয়ে রাখবে।

শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ব্রাজিলের খেলার ভক্ত আমি ছোটোবেলা থেকেই তবুও আর্জেন্টিনা আমাকে টানে : আসিফ ইকবাল।

আপডেট সময় : ১২:০১:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২

আফতাব পারভেজ, ডেস্ক নিউজ

গাংচিলের ফাউন্ডার গীতিকার আসিফ ইকবাল সাহেব ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন

ব্রাজিলের খেলার ভক্ত আমি ছোটোবেলা থেকেই তবুও আর্জেন্টিনা আমাকে টানে ।

আমি ফুটবল খেলা মনোযোগের সাথে দেখি আর বিশ্লেষন খুব উপভোগ করি। খেলাটার ট্যাকনিকাল এবং স্ট্রেটিজিক দিকগুলো কর্মক্ষেত্রে অনেক কাজে আসে আমার। ভালো দলগুলোর গুরুত্বপূর্ণ খেলাগুলো দেখার চেষ্টা করি আমি। আজও এক আকাশ প্রত্যাশা নিয়ে আর্জেন্টিনা মেক্সিকোর খেলাটা দেখবো। বলে রাখি ব্রাজিলের খেলার ভক্ত আমি ছোটোবেলা থেকেই। তবুও আর্জেন্টিনা আমাকে টানে দিয়েগো আর লিওর জন্য। তাদের ধ্রুপদী ফুটবল স্কিল আর ফ্লেয়ারের সাথে যোগ করে গতিময়তা।

 

গত খেলার পর নিউজ পোর্টাল এথলেটিক লিখেছিলো সৌদি আরবের কাছে হারার পর মিক্সড জোনে লিওকে দেখে মনে হচ্ছিলো রীতিমত বিধ্বস্ত- এ যেনো এক ম্যাচ হারের চেয়ে অনেক অনেক বেশী কিছু। লিওকে যখন জিজ্ঞেস করা হলো ড্রেসিং রুমের কি অবস্থা, জবাব এলো “দা ট্রুথ – মুয়েরতস” – প্রতিটি খেলোয়াড়ই মৃত। অথচ এর আগের ৩৬ ম্যাচে আর্জেন্টিনা এক ম্যাচও হারেনি! আর্জেন্টিনা সাউথ এমেরিকান ফুটবলের চ্যাম্পিয়ন দল। তাও আবার ব্রাজিলকে হারিয়ে। কি নির্মম। ফুটবল এমনই নিষ্ঠুর।

 

আজকের খেলায় আমি অর্জেন্টিনা থেকে কি প্রত্যাশা করি?

 

আমার প্রত্যাশা আর্জেন্টিনা আত্মবিশ্বাস ফিরে পাক। “কিভাবে শুরু হলো তার চাইতে কিভাবে শেষ হলো” তা মানুষ মনে রাখবে অনেক বেশী। আর এক ম্যাচ হারা মানেই তো টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নয়। বিজয়ী দলও হারতে পারে পরের খেলায়। ফলে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ কিন্তু পুরোই থাকছে।

 

আমার প্রত্যাশা লিওর ওপর চাপ কমাতে ডি মারিয়া, দিবালারা জ্বলে উঠবে। দলে বেশ কিছু পরিবর্তন আসা উচিত। আক্রমনে লওটারো মার্টিনেজ আর ডি মারিয়া সঙ্গী হতে পারে লিওর। সেন্ট্রাল ডিফেন্সে মার্টিনেজের শুরু থেকেই খেলা উচিত। ৪-৩-১-২ সিস্টেমে কোচ স্কালোনি দিবালাকে শুরু থেকেই খেলাতে পারেন। ওর ভার্সেটিলিটি আর মেসির সাথে বোঝাপড়াটা কাজে দেবে। আর লওটারো মার্টিনেজের একজন যোগ্য সঙ্গী হতে পারে জুভেন্টাসের দিবালা। মধ্যমাঠ প্রায় প্রতিটি টীমের জন্যই এক রণক্ষেত্র হয়ে উঠছে। অধিকাংশ গোল আসছে উইং প্লে থেকে। এ ম্যাচেও মধ্যমাঠ দখলে রাখতে আর্জেন্টিনাকে সচেষ্ট থাকতে হবে। উইং প্লে থেকে গোল বের করে নিয়ে আসতে হবে।

 

আশা করি আজ আর্জেন্টিনা একটা সংঘবদ্ধ দল হয়ে উঠবে। চাপ না নিয়ে তাদের সহজাত নান্দনিক ছন্দে গতিময় ফুটবলই খেলবে। এবং জয়ী হয়ে বিশ্বকাপের উত্তেজনা টিকিয়ে রাখবে।

শেয়ার করুন