ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এবিসি ন্যাশনাল নিউজ২৪ ইপেপার

বগুড়ায় পুলিশের ওপরে হামলায় সেই নুরু চেয়ারম্যান ৬ দিনের রিমান্ডে

মিরু হাসান, স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৯:০৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪ ৪৩ বার পড়া হয়েছে

 

বগুড়ায় থানায় হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাই, পুলিশের ওপর হামলা ও অস্ত্র আইনে দায়ের হওয়া মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলগের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামানকে ছয় দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে থানায় হামলা চালানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার বাঁকি ৮ আসামির তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম সঞ্চিতা ইসলাম এ আদেশ দেন।
নুরুজ্জামান বগুড়ার শাজাহানপুরের মাঝিড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন। ঘটনার পর সংগঠন থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়।
বগুড়া জেলা গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) পুলিশের ওসি মুস্তাফিজ হাসান তথ্যগুলো নিশ্চিত করে জানান, থানায় হামলার ঘটনায় নুরুজ্জামানহ সাদ্দাম হোসেন রবিন, রমজান আলী, সাইদুর রহমান খোকন, বোরহান উদ্দিন, সেরাজুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, মো. মিতুল এবং ওয়াবুজ্জামান রাতুলের তিন দিনের রিমান্ড এবং অস্ত্র মামলায় নুরুজ্জামানকে আরও তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

এর আগে, ৬ এপ্রিল রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাত ৯টায় আড়িয়া বাজার এলাকায় অভিযানে মদ্যপ অবস্থায় মাদক, ২টি বার্মিজ চাকু ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মিঠুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনার পর রাত ১০টার দিকে মাঝিড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান ওরফে নুরু অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে থানায় প্রবেশ করে আসামি মিঠুন মিয়াকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় থানার ওসি শহিদুল ইসলামকে ধাক্কা দেয় এবং অপর পুলিশ সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারপিট করে পালিয়ে যায়। মারপিটে অন্তত পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে নুরুজ্জামানসহ আরও লোকজন নিয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে আবারও আক্রমণ করতে মাঝিড়ায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে অবস্থান নেয়। এ সময় জেলা পুলিশ, র্যাব ও ডিবির সদস্যরা নুরুসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে। এসময় অভিযান পরিচালনা করে নুরুর বাড়ি থেকে ৭ রাউন্ড গুলিসহ একটি পিস্তল এবং নুরুর ম্যানেজার নাজমুলের বাড়ি থেকে ৮ রাউন্ড গুলিসহ আরও একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়াও ৩৬টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বগুড়ায় পুলিশের ওপরে হামলায় সেই নুরু চেয়ারম্যান ৬ দিনের রিমান্ডে

আপডেট সময় : ০৯:০৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪

 

বগুড়ায় থানায় হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাই, পুলিশের ওপর হামলা ও অস্ত্র আইনে দায়ের হওয়া মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলগের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামানকে ছয় দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে থানায় হামলা চালানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার বাঁকি ৮ আসামির তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম সঞ্চিতা ইসলাম এ আদেশ দেন।
নুরুজ্জামান বগুড়ার শাজাহানপুরের মাঝিড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন। ঘটনার পর সংগঠন থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়।
বগুড়া জেলা গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) পুলিশের ওসি মুস্তাফিজ হাসান তথ্যগুলো নিশ্চিত করে জানান, থানায় হামলার ঘটনায় নুরুজ্জামানহ সাদ্দাম হোসেন রবিন, রমজান আলী, সাইদুর রহমান খোকন, বোরহান উদ্দিন, সেরাজুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, মো. মিতুল এবং ওয়াবুজ্জামান রাতুলের তিন দিনের রিমান্ড এবং অস্ত্র মামলায় নুরুজ্জামানকে আরও তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

এর আগে, ৬ এপ্রিল রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাত ৯টায় আড়িয়া বাজার এলাকায় অভিযানে মদ্যপ অবস্থায় মাদক, ২টি বার্মিজ চাকু ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মিঠুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনার পর রাত ১০টার দিকে মাঝিড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান ওরফে নুরু অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে থানায় প্রবেশ করে আসামি মিঠুন মিয়াকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় থানার ওসি শহিদুল ইসলামকে ধাক্কা দেয় এবং অপর পুলিশ সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারপিট করে পালিয়ে যায়। মারপিটে অন্তত পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে নুরুজ্জামানসহ আরও লোকজন নিয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে আবারও আক্রমণ করতে মাঝিড়ায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে অবস্থান নেয়। এ সময় জেলা পুলিশ, র্যাব ও ডিবির সদস্যরা নুরুসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে। এসময় অভিযান পরিচালনা করে নুরুর বাড়ি থেকে ৭ রাউন্ড গুলিসহ একটি পিস্তল এবং নুরুর ম্যানেজার নাজমুলের বাড়ি থেকে ৮ রাউন্ড গুলিসহ আরও একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়াও ৩৬টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

শেয়ার করুন