ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এবিসি ন্যাশনাল নিউজ২৪ ইপেপার

ব্রেকিং নিউজঃ
লালপুরে পদ্মার চরে মিলল ৪ রাসেল ভাইপার খোকসা উসাসের পক্ষে থেকে নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যানকে ফুলের শুভেচ্ছা। বগুড়ায় নারী চিকিৎসক মাত্রাতিরিক্ত ঘুমের ট্যালেট সেবনে আত্মহত্যা তিস্তা সেতুর মাঝখানে ফাটল আতঙ্কে পথযাত্রীরা। ঈমান রক্ষার দোয়া। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয় বাংলাদেশ: শেখ হাসিনা আমতলীতে বৌ-ভাতের অনুষ্ঠানে আসার পথে ব্রীজ ভেঙ্গে ৯জন নিহত ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরও গভীর করতে ৭টি নতুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশের অভিযানে ৫ মাদক ব্যবসায়ি গ্রেফতার –মাদক উদ্ধার ! দিল্লী সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যস্ততার পরিবর্তে অস্তিত্ব টেকানোর লড়াইয়ে মৃৎশিল্পীদের তৈরি বিভিন্ন পণ্য

মোঃ মজিবর রহমান শেখ ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:২১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪ ৪৭ বার পড়া হয়েছে

বাংলা নববর্ষ উদযাপনে মেলার আয়োজন আবহমান বাংলার একটি ঐতিহ্য। মেলার একটি বড় অংশ জুড়ে থাকে মৃৎশিল্পীদের তৈরি বিভিন্ন পণ্য। আগে এসব তৈজসপত্র তৈরিতে চৈত্রের শুরু থেকে ব্যস্ততা দেখা যেত কুমারপল্লিতে। বৈশাখী মেলায় তাদের কারুকার্যে ফুটে উঠতো বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্য। বেচা-বিক্রিতেও স্বপ্ন ছুঁতেন তারা।
কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়ায় দিন বদলেছে। তাই আর আগের মতো নেই তাদের বৈশাখ ঘিরে কর্মব্যস্ততা। বরং পূর্বপুরুষের পেশাকে টিকিয়ে রাখতে সংগ্রাম করছেন বেশ কিছু কুমার পরিবার। কালের বিবর্তনে যেমন অনেক কিছুর পরিবর্তন এসেছে ঠিক তেমনি পরিবর্তনে এসেছে একসময়ের মাটির তৈরি হাঁড়ি-পাতিল, থালা-বাসন, সানকি, ঘটি, মটকা, সরা, চারি, কলস, প্রদীপ, ব্যাংক, পুতুল, কলকি, ছোটদের খেলনা হাতি, ঘোড়াসহ দেবদেবীর মূর্তিতে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের পাল পাড়ায় যে কয়েকটি পরিবার এই পেশা ধরে রেখেছে তাদের পরবর্তী প্রজন্ম অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জেনে আর এ পেশায় থাকতে চায় না। তাই এই মৃৎশিল্প টিকিয়ে রাখা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। মৃৎশিল্পের সঙ্গে জড়িতরা বলেন, প্লাস্টিকের খেলনা ও আসবাবপত্র বের হওয়ায় মাটির তৈরি জিনিসপত্রের চাহিদা কমে গেছে। আগে বৈশাখী মেলার জন্য আমরা চৈত্র মাসজুড়ে ব্যস্ত থাকতাম। এখন বাধ্য হয়ে অনেকেই পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে। মৃৎশিল্পের ঐতিহ্য ধরে রাখতে সহযোগিতা চান এই পেশায় জড়িতরা। তারা সরকারিভাবে ঋণ দেওয়ার দাবি জানান। এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন বলেন, বাংলাদেশের অন্যান্য জায়গার মতো ঠাকুরগাঁও জেলায় মৃৎশিল্পও রুগ্ন অবস্থায় রয়েছে। মাটির তৈরি পণ্যগুলোতে কীভাবে আরও চাকচিক্য আনা যায় সেজন্য এই পেশায় প্রশিক্ষণ সহ আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহজে ঋণের আওতায় নিয়ে আসতে ব্যাংকগুলোর সঙ্গে কথা বলেবো।

 

শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যস্ততার পরিবর্তে অস্তিত্ব টেকানোর লড়াইয়ে মৃৎশিল্পীদের তৈরি বিভিন্ন পণ্য

আপডেট সময় : ০৮:২১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪

বাংলা নববর্ষ উদযাপনে মেলার আয়োজন আবহমান বাংলার একটি ঐতিহ্য। মেলার একটি বড় অংশ জুড়ে থাকে মৃৎশিল্পীদের তৈরি বিভিন্ন পণ্য। আগে এসব তৈজসপত্র তৈরিতে চৈত্রের শুরু থেকে ব্যস্ততা দেখা যেত কুমারপল্লিতে। বৈশাখী মেলায় তাদের কারুকার্যে ফুটে উঠতো বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্য। বেচা-বিক্রিতেও স্বপ্ন ছুঁতেন তারা।
কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়ায় দিন বদলেছে। তাই আর আগের মতো নেই তাদের বৈশাখ ঘিরে কর্মব্যস্ততা। বরং পূর্বপুরুষের পেশাকে টিকিয়ে রাখতে সংগ্রাম করছেন বেশ কিছু কুমার পরিবার। কালের বিবর্তনে যেমন অনেক কিছুর পরিবর্তন এসেছে ঠিক তেমনি পরিবর্তনে এসেছে একসময়ের মাটির তৈরি হাঁড়ি-পাতিল, থালা-বাসন, সানকি, ঘটি, মটকা, সরা, চারি, কলস, প্রদীপ, ব্যাংক, পুতুল, কলকি, ছোটদের খেলনা হাতি, ঘোড়াসহ দেবদেবীর মূর্তিতে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের পাল পাড়ায় যে কয়েকটি পরিবার এই পেশা ধরে রেখেছে তাদের পরবর্তী প্রজন্ম অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জেনে আর এ পেশায় থাকতে চায় না। তাই এই মৃৎশিল্প টিকিয়ে রাখা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। মৃৎশিল্পের সঙ্গে জড়িতরা বলেন, প্লাস্টিকের খেলনা ও আসবাবপত্র বের হওয়ায় মাটির তৈরি জিনিসপত্রের চাহিদা কমে গেছে। আগে বৈশাখী মেলার জন্য আমরা চৈত্র মাসজুড়ে ব্যস্ত থাকতাম। এখন বাধ্য হয়ে অনেকেই পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে। মৃৎশিল্পের ঐতিহ্য ধরে রাখতে সহযোগিতা চান এই পেশায় জড়িতরা। তারা সরকারিভাবে ঋণ দেওয়ার দাবি জানান। এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন বলেন, বাংলাদেশের অন্যান্য জায়গার মতো ঠাকুরগাঁও জেলায় মৃৎশিল্পও রুগ্ন অবস্থায় রয়েছে। মাটির তৈরি পণ্যগুলোতে কীভাবে আরও চাকচিক্য আনা যায় সেজন্য এই পেশায় প্রশিক্ষণ সহ আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহজে ঋণের আওতায় নিয়ে আসতে ব্যাংকগুলোর সঙ্গে কথা বলেবো।

 

শেয়ার করুন