ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এবিসি ন্যাশনাল নিউজ২৪ ইপেপার

ব্রেকিং নিউজঃ
এবার মরক্কোতে কোকাকোলা-পেপসি বয়কটের ডাক ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর পুন: চালু ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন সান্তাহার জংশন স্টেশানে যাত্রীরা ব্যবহার করে না রেলওয়ের ফুটওভারব্রিজ বটিয়াঘাটা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশের উদ্যোগে অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধার ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী ও ২জন জুয়ারু সহ গ্রেফতার ডোমারের ০৫নং বামুনিয়া ইউনিয়নের হতদরিদ্রদের মাঝে ল্যাট্রিনের রিং ও স্লাব বিতরণ র‍্যাবের যৌথ অভিযানে হত্যা মামলার এজহারনামীয় দুই আসামী গ্রেফতার বটিয়াঘাটা নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শিমুর সাথে বিসিবির সভাপতি শেখ সোহেল’র সৌজন্য সাক্ষাৎ নওগাঁয় চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডে দুই যুবক আটক কুয়েতে মাঙ্গাফ এলাকায় শ্রমিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ৪১

টেকনাফ ব‍্যাংক কর্মকর্তার সাথে সহকারী শিক্ষিকার পরকীয়া প্রেম শীর্ষক মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর ২০২২ ৪০ বার পড়া হয়েছে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি, আমি মোঃ সানাউল্লাহ, পিতা আলহাজ্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোঃ কলিমুল্লাহ মাস্টার ও টেকনাফ শাখার সরকারি ” পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক” এর ম্যানেজার হয়। গত ০৮/১০ দিন যাবত বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়া ও পত্র-পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে টেকনাফ ব্যাংক এর কর্মকর্তার সাথে সহকারী শিক্ষিকা হালিমা আক্তারের পরকীয়া প্রেম সম্পর্কে সম্পূর্ণ মিথ্যা,বানোয়াট , ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে মিথ্যা সংবাদ করে আমার মানহানি করেছে। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

 

প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, হালিমা আক্তার আমার দীর্ঘদিনের সম্মানিত স্যারের মেয়ে ও আত্মীয় হয়। আমাদের দু-পরিবারের মধ্যে পারিবারিক সম্পর্ক ও যোগাযোগ ভালো ।হালিমা আক্তার অবিবাহিত থাকা অবস্থায় সরকারি প্রাইমারিতে শিক্ষক হিসেবে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়াতে আমি নিজেই তার সাথে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গিয়ে যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন করি যাহা বর্তমান শিক্ষা অফিসার জনাব এমদাদ হোসেন চৌধুরী ও বদলিকৃত অফিস সহকারী মোঃ আলম অবগত আছেন।

পরবর্তীতে তাজমিল উদ্দিন পিতা আবু বক্কর সাং রোজার ঘোনা এর সাথে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়ের পরপরই তাজমিল উদ্দিন মোটরসাইকেল ক্রয়ের জন্য দু লাখ টাকা যৌতুক ও চাকরির বেতনের টাকা নেওয়ার জন‍্য প্রায় সময় নির্যাতন করে মারধর করার খবর শুনতাম। নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে গেলে হালিমা আক্তার সহ্য করতে না পেরে কক্সবাজার আদালতে দুটি মামলা দায়ের করেন এবং কিছুদিনপর তাজমিল উদ্দিন কে তালাক প্রদান করে আলাদা হয়ে যায়। হালিমা আক্তার স্কুলে যাওয়া-আসার সময় তাজমিল উদ্দিন প্রায় সময় তুলে নিতে চাইত এবং অপহরণ করার চেষ্টা করে বলে হালিমা সহ তার পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে শুনেছিলাম।

একদিন হঠাৎ বিকেলে আমার অফিস শেষে মোবাইল করে জানায় যে, তাজমিল উদ্দিন ও কয়েকজন সহযোগী সহ তাকে জোরপূর্বক সিএনজি গাড়িতে করে নিয়ে যাচ্ছিল, তাদের সিএনজি থেকে হালিমা আক্তার দস্তা-দস্তি করে নেমে পড়ে আমাকে তাড়াতাড়ি ঘটনাস্থলে আসেন বলে মোবাইল করলে আমি বাইক নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি তাজমিলের সহযোগিরা তাকে পুনরায় সিএনজিতে উঠানোর চেষ্টা করতেছে। তার সহযোগীদের সাথে দুইজন সংবাদকর্মী/রিপোর্টার ও ঘটনার সাথে জড়িত ছিল।তাদের সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয় এবং একপর্যায়ে তাজমিল উদ্দিন ও তার সহযোগীরা তাহাকে গাড়িতে করে যেতে দিবে না বললে আমি অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমার বাইক করে হালিমা আক্তার কে তার নিজ বাড়িতে পৌঁছে দিই।পরের দিন হালিমা তার পরিবারের সাথে আলোচনা করে উক্ত বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় কে লিখিতভাবে অভিযোগ করেন।

পরবর্তীতে বিভিন্ন মিডিয়া ও পত্র-পত্রিকায় আমাদের বাইকে করে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশিত হলে আমি আশ্চর্য হয়ে পড়ি এবং আমাদের অজান্তে চুরি করে তাজমিল ও তার সহযোগিরা ঐ সিএনজি গাড়ি করে পিছনে পিছনে ভিডিও করে অশ্লীল গালি-গালাজ করে তিলকে তাল বানিয়ে সংবাদ প্রচার করে আমার সম্মান হানি করেছেন।

আমি স্থানীয় ছেলে হওয়াতে এলাকার কিছু অসাধু ব‍্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিক/রিপোর্টার যোগসাজে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে।তা ছাড়া কিছু সংবাদকর্মী/রিপোর্টার আমার অফিসে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে প্রবেশ করে এবং মোবাইলে উল্টাপাল্টা কথা বলে ঘুষ ও চাঁদা দাবী করে ব্ল্যাকমেল করে অপমানিত করেছে যা আমার মোবাইল ও অফিসের সিসি ক‍্যামেরায় সংরক্ষিত আছে।আমি তাদের যোগ্যতা ও সরকারি অনুমোদন আছে কিনা তা জানিয়ে চাঁদাবাজি,সম্মানহানি ও তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা করতে প্রস্তুতি নিচ্ছি।এরপর ও যদি এধরনের কেউ আমাকে নিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচার, সম্মানহানি সহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করার চেষ্টা করে তাহলে উক্ত জড়িতদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রমাণ নিয়ে আদালতে আশ্রয় নেব এবং তাদের মোবাইল নাম্বার, ফেসবুক আইডি, ইমো,হোয়াটসঅ্যাপ সহ কতজনকে এভাবে হয়রানি

করেছে তাহা প্রকাশ করার জন্য যথাযথ স্থানে অভিযোগ করব।

তাই আমার ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ,প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, আইন শৃঙ্খলাবাহিনী এবং জনসাধারণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি

প্রতিবাদকারী

মোঃ সানা উল্লাহ

ম্যানেজার

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক

টেকনাফ শাখা।

শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

টেকনাফ ব‍্যাংক কর্মকর্তার সাথে সহকারী শিক্ষিকার পরকীয়া প্রেম শীর্ষক মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ১১:৫৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর ২০২২

প্রেস বিজ্ঞপ্তি, আমি মোঃ সানাউল্লাহ, পিতা আলহাজ্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোঃ কলিমুল্লাহ মাস্টার ও টেকনাফ শাখার সরকারি ” পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক” এর ম্যানেজার হয়। গত ০৮/১০ দিন যাবত বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়া ও পত্র-পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে টেকনাফ ব্যাংক এর কর্মকর্তার সাথে সহকারী শিক্ষিকা হালিমা আক্তারের পরকীয়া প্রেম সম্পর্কে সম্পূর্ণ মিথ্যা,বানোয়াট , ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে মিথ্যা সংবাদ করে আমার মানহানি করেছে। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

 

প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, হালিমা আক্তার আমার দীর্ঘদিনের সম্মানিত স্যারের মেয়ে ও আত্মীয় হয়। আমাদের দু-পরিবারের মধ্যে পারিবারিক সম্পর্ক ও যোগাযোগ ভালো ।হালিমা আক্তার অবিবাহিত থাকা অবস্থায় সরকারি প্রাইমারিতে শিক্ষক হিসেবে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়াতে আমি নিজেই তার সাথে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গিয়ে যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন করি যাহা বর্তমান শিক্ষা অফিসার জনাব এমদাদ হোসেন চৌধুরী ও বদলিকৃত অফিস সহকারী মোঃ আলম অবগত আছেন।

পরবর্তীতে তাজমিল উদ্দিন পিতা আবু বক্কর সাং রোজার ঘোনা এর সাথে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়ের পরপরই তাজমিল উদ্দিন মোটরসাইকেল ক্রয়ের জন্য দু লাখ টাকা যৌতুক ও চাকরির বেতনের টাকা নেওয়ার জন‍্য প্রায় সময় নির্যাতন করে মারধর করার খবর শুনতাম। নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে গেলে হালিমা আক্তার সহ্য করতে না পেরে কক্সবাজার আদালতে দুটি মামলা দায়ের করেন এবং কিছুদিনপর তাজমিল উদ্দিন কে তালাক প্রদান করে আলাদা হয়ে যায়। হালিমা আক্তার স্কুলে যাওয়া-আসার সময় তাজমিল উদ্দিন প্রায় সময় তুলে নিতে চাইত এবং অপহরণ করার চেষ্টা করে বলে হালিমা সহ তার পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে শুনেছিলাম।

একদিন হঠাৎ বিকেলে আমার অফিস শেষে মোবাইল করে জানায় যে, তাজমিল উদ্দিন ও কয়েকজন সহযোগী সহ তাকে জোরপূর্বক সিএনজি গাড়িতে করে নিয়ে যাচ্ছিল, তাদের সিএনজি থেকে হালিমা আক্তার দস্তা-দস্তি করে নেমে পড়ে আমাকে তাড়াতাড়ি ঘটনাস্থলে আসেন বলে মোবাইল করলে আমি বাইক নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি তাজমিলের সহযোগিরা তাকে পুনরায় সিএনজিতে উঠানোর চেষ্টা করতেছে। তার সহযোগীদের সাথে দুইজন সংবাদকর্মী/রিপোর্টার ও ঘটনার সাথে জড়িত ছিল।তাদের সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয় এবং একপর্যায়ে তাজমিল উদ্দিন ও তার সহযোগীরা তাহাকে গাড়িতে করে যেতে দিবে না বললে আমি অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমার বাইক করে হালিমা আক্তার কে তার নিজ বাড়িতে পৌঁছে দিই।পরের দিন হালিমা তার পরিবারের সাথে আলোচনা করে উক্ত বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় কে লিখিতভাবে অভিযোগ করেন।

পরবর্তীতে বিভিন্ন মিডিয়া ও পত্র-পত্রিকায় আমাদের বাইকে করে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশিত হলে আমি আশ্চর্য হয়ে পড়ি এবং আমাদের অজান্তে চুরি করে তাজমিল ও তার সহযোগিরা ঐ সিএনজি গাড়ি করে পিছনে পিছনে ভিডিও করে অশ্লীল গালি-গালাজ করে তিলকে তাল বানিয়ে সংবাদ প্রচার করে আমার সম্মান হানি করেছেন।

আমি স্থানীয় ছেলে হওয়াতে এলাকার কিছু অসাধু ব‍্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিক/রিপোর্টার যোগসাজে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে।তা ছাড়া কিছু সংবাদকর্মী/রিপোর্টার আমার অফিসে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে প্রবেশ করে এবং মোবাইলে উল্টাপাল্টা কথা বলে ঘুষ ও চাঁদা দাবী করে ব্ল্যাকমেল করে অপমানিত করেছে যা আমার মোবাইল ও অফিসের সিসি ক‍্যামেরায় সংরক্ষিত আছে।আমি তাদের যোগ্যতা ও সরকারি অনুমোদন আছে কিনা তা জানিয়ে চাঁদাবাজি,সম্মানহানি ও তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা করতে প্রস্তুতি নিচ্ছি।এরপর ও যদি এধরনের কেউ আমাকে নিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচার, সম্মানহানি সহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করার চেষ্টা করে তাহলে উক্ত জড়িতদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রমাণ নিয়ে আদালতে আশ্রয় নেব এবং তাদের মোবাইল নাম্বার, ফেসবুক আইডি, ইমো,হোয়াটসঅ্যাপ সহ কতজনকে এভাবে হয়রানি

করেছে তাহা প্রকাশ করার জন্য যথাযথ স্থানে অভিযোগ করব।

তাই আমার ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ,প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, আইন শৃঙ্খলাবাহিনী এবং জনসাধারণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি

প্রতিবাদকারী

মোঃ সানা উল্লাহ

ম্যানেজার

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক

টেকনাফ শাখা।

শেয়ার করুন