ঢাকা ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এবিসি ন্যাশনাল নিউজ২৪ ইপেপার

ব্রেকিং নিউজঃ
এবার মরক্কোতে কোকাকোলা-পেপসি বয়কটের ডাক ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর পুন: চালু ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন সান্তাহার জংশন স্টেশানে যাত্রীরা ব্যবহার করে না রেলওয়ের ফুটওভারব্রিজ বটিয়াঘাটা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশের উদ্যোগে অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধার ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী ও ২জন জুয়ারু সহ গ্রেফতার ডোমারের ০৫নং বামুনিয়া ইউনিয়নের হতদরিদ্রদের মাঝে ল্যাট্রিনের রিং ও স্লাব বিতরণ র‍্যাবের যৌথ অভিযানে হত্যা মামলার এজহারনামীয় দুই আসামী গ্রেফতার বটিয়াঘাটা নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শিমুর সাথে বিসিবির সভাপতি শেখ সোহেল’র সৌজন্য সাক্ষাৎ নওগাঁয় চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডে দুই যুবক আটক কুয়েতে মাঙ্গাফ এলাকায় শ্রমিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ৪১

চট্টগ্রামে জাহাজ ডুবির ঘটনায় মাগুরার মহম্মদপুরের ৬ পরিবারে শোকের মাতম 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪০:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর ২০২২ ৪৬ বার পড়া হয়েছে

মাগুরা জেলা প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের বঙ্গোপসাগরে জাহাজ ডুবির ঘটনায় মাগুরার মহম্মদপুরের ৬ পরিবারে শোকের মাতম বিরাজ করছে । মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার মন্ডলগাতী, খলিশাখালি ও রঘুনাথপুর গ্রামের নিখোঁজ পরিবারগুলোতে চলছে এই শোকের মাতম।

 

ডুবে যাওয়ার সময় ওই জাহাজটিতে কর্মরত মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার চর-যশোবন্তপুর গ্রামের লুলু মিয়ার ছেলে রুবেল এবং খলিশাখালী গ্রামের কামাল মোল্যার ছেলে রবিউল ইসলাম সাঁতরে কুলে উঠতে সক্ষম হয়।

 

তারা জানায়, বুধবার (১২ অক্টোবর) বেলা ২ঃ৩০ ঘটিকার দিকে তাদের পাথর বোঝাই জাহাজ এমভি সুলতান সানজার চট্রগ্রাম থেকে কর্ণফুলির দিকে যাচ্ছিলো। পিছন থেকে আকিজ লজিস্টিক-২৩ নামের একটি জাহাজ তাদের জাহাজকে আড়াআড়ি ভাবে ধাক্কা দিলে তাদের জাহাজ সানজার বঙ্গোপসাগরের বহির্নোঙরে মুহূর্তের মধ্যে ডুবে যায়।

 

এ জাহাজে মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার আরো ৬ জন কর্মরত ছিল। তারা হলেন মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়ীয়া ইউপির মণ্ডলগাতি গ্রামের নূরোল হোসেন মোল্যার ছেলে শিমুল (৩৫) ও জাহিদুল (২৩) একই গ্রামের খসরু বিশ্বাসের ছেলে সুরুজ(১৯)গোলাম রসূল মোল্যার ছেলে নূর মোহাম্মদ(৪০) এবং একই উপজেলার নহাটা ইউপির খলিশাখালি গ্রামের কামাল মোল্যার ছেলে মনির হোসেন(২৫) ও বাবুখালী ইউপির রঘুনাথপুর গ্রামের আকরাম হোসেনের ছেলে নাজমুল(২৯)।

 

১৩ তারিখ বৃহস্পতিবার বিকালে মাগুরার নিখোঁজ ওই পরিবারগুলোতে গিয়ে দেখা যায় সেখানে চলছে শোকের মাতম। তারা প্রত্যেকেই সানজার জাহাজে কর্মরত ছিল এবং কোরবানীর ঈদের ছুটি শেষে চট্টগ্রামে ওই জাহাজটিতে কাজে ফিরে যায়।

 

মন্ডলগাতি গ্রামের নিখোঁজ শিমুল ও জাহিদের মা ফাতেমা বেগম বলেন, আমার ছেলেরা বুধবার সকাল ৯টার দিকে মোবাইল ফোনে কথা বলে কাজে গেছে,পরে কথা বলবে বলে জানালেও আর কথা হয়নি,এখন শুনছি তাদের জাহাজ ডুবে গেছে।

 

একইভাবে অন্যান্যদের পরিবারে গিয়েও দেখা যায় প্রতিটি পরিবার শোকাগ্রস্ত। তারা নিজ নিজ পরিবারের নিখোঁজ সন্তানদের সন্ধান চেয়েছেন।এদিকে চট্টগ্রাম নৌ-পুলিশ সূত্রে জানাযায়, তারা মনির নামে এক জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেছে।ঐ একই দিনে কর্ণফুলীতে আরো একটি জাহাজ ডুবির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১৩ জন নিখোঁজ হয় বলে জানাগেছে।

 

এ বিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রামানন্দ পাল বলেন, এবিষয়ে আমাদের কাছে কাছে অফিসিয়াল ভাবে কোন তথ্য নেই। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখছি।

শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চট্টগ্রামে জাহাজ ডুবির ঘটনায় মাগুরার মহম্মদপুরের ৬ পরিবারে শোকের মাতম 

আপডেট সময় : ১১:৪০:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর ২০২২

মাগুরা জেলা প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের বঙ্গোপসাগরে জাহাজ ডুবির ঘটনায় মাগুরার মহম্মদপুরের ৬ পরিবারে শোকের মাতম বিরাজ করছে । মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার মন্ডলগাতী, খলিশাখালি ও রঘুনাথপুর গ্রামের নিখোঁজ পরিবারগুলোতে চলছে এই শোকের মাতম।

 

ডুবে যাওয়ার সময় ওই জাহাজটিতে কর্মরত মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার চর-যশোবন্তপুর গ্রামের লুলু মিয়ার ছেলে রুবেল এবং খলিশাখালী গ্রামের কামাল মোল্যার ছেলে রবিউল ইসলাম সাঁতরে কুলে উঠতে সক্ষম হয়।

 

তারা জানায়, বুধবার (১২ অক্টোবর) বেলা ২ঃ৩০ ঘটিকার দিকে তাদের পাথর বোঝাই জাহাজ এমভি সুলতান সানজার চট্রগ্রাম থেকে কর্ণফুলির দিকে যাচ্ছিলো। পিছন থেকে আকিজ লজিস্টিক-২৩ নামের একটি জাহাজ তাদের জাহাজকে আড়াআড়ি ভাবে ধাক্কা দিলে তাদের জাহাজ সানজার বঙ্গোপসাগরের বহির্নোঙরে মুহূর্তের মধ্যে ডুবে যায়।

 

এ জাহাজে মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার আরো ৬ জন কর্মরত ছিল। তারা হলেন মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়ীয়া ইউপির মণ্ডলগাতি গ্রামের নূরোল হোসেন মোল্যার ছেলে শিমুল (৩৫) ও জাহিদুল (২৩) একই গ্রামের খসরু বিশ্বাসের ছেলে সুরুজ(১৯)গোলাম রসূল মোল্যার ছেলে নূর মোহাম্মদ(৪০) এবং একই উপজেলার নহাটা ইউপির খলিশাখালি গ্রামের কামাল মোল্যার ছেলে মনির হোসেন(২৫) ও বাবুখালী ইউপির রঘুনাথপুর গ্রামের আকরাম হোসেনের ছেলে নাজমুল(২৯)।

 

১৩ তারিখ বৃহস্পতিবার বিকালে মাগুরার নিখোঁজ ওই পরিবারগুলোতে গিয়ে দেখা যায় সেখানে চলছে শোকের মাতম। তারা প্রত্যেকেই সানজার জাহাজে কর্মরত ছিল এবং কোরবানীর ঈদের ছুটি শেষে চট্টগ্রামে ওই জাহাজটিতে কাজে ফিরে যায়।

 

মন্ডলগাতি গ্রামের নিখোঁজ শিমুল ও জাহিদের মা ফাতেমা বেগম বলেন, আমার ছেলেরা বুধবার সকাল ৯টার দিকে মোবাইল ফোনে কথা বলে কাজে গেছে,পরে কথা বলবে বলে জানালেও আর কথা হয়নি,এখন শুনছি তাদের জাহাজ ডুবে গেছে।

 

একইভাবে অন্যান্যদের পরিবারে গিয়েও দেখা যায় প্রতিটি পরিবার শোকাগ্রস্ত। তারা নিজ নিজ পরিবারের নিখোঁজ সন্তানদের সন্ধান চেয়েছেন।এদিকে চট্টগ্রাম নৌ-পুলিশ সূত্রে জানাযায়, তারা মনির নামে এক জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেছে।ঐ একই দিনে কর্ণফুলীতে আরো একটি জাহাজ ডুবির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১৩ জন নিখোঁজ হয় বলে জানাগেছে।

 

এ বিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রামানন্দ পাল বলেন, এবিষয়ে আমাদের কাছে কাছে অফিসিয়াল ভাবে কোন তথ্য নেই। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখছি।

শেয়ার করুন