ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এবিসি ন্যাশনাল নিউজ২৪ ইপেপার

ব্রেকিং নিউজঃ
লালপুরে পদ্মার চরে মিলল ৪ রাসেল ভাইপার খোকসা উসাসের পক্ষে থেকে নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যানকে ফুলের শুভেচ্ছা। বগুড়ায় নারী চিকিৎসক মাত্রাতিরিক্ত ঘুমের ট্যালেট সেবনে আত্মহত্যা তিস্তা সেতুর মাঝখানে ফাটল আতঙ্কে পথযাত্রীরা। ঈমান রক্ষার দোয়া। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয় বাংলাদেশ: শেখ হাসিনা আমতলীতে বৌ-ভাতের অনুষ্ঠানে আসার পথে ব্রীজ ভেঙ্গে ৯জন নিহত ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরও গভীর করতে ৭টি নতুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশের অভিযানে ৫ মাদক ব্যবসায়ি গ্রেফতার –মাদক উদ্ধার ! দিল্লী সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

ওরা দিকভ্রষ্ট, তা প্রমাণের সুযোগ এখনই

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর ২০২২ ৫৪ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘ সম্মেলনে যোগদান ও যুক্তরাজ্য সফরের আদ্যপান্ত নিয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

উল্লেখিত দুইটি বিশেষ সফর ছাড়াও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ এর জন্য তিনি আর কি কি চিন্তা করছেন, তা বেশ কিছুদিন পর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দেশবাসী আবার জানতে পারার সুযোগে পাচ্ছে ।

 

এদিকে গেল দুইদিনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি থেকে বলা হচ্ছে, “সরকারের পতন ঘন্টা বাজতে আর বেশি সময় নেই। তাদের কেহ বলছেন, সুলতানা কামাল কিংবা মুনতাসির মামুনেরা কোনো বিবৃতি দিয়ে এদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষকে বিচলিত করতে পারবে না বরং তারা আজ ‘দালাল’ হিসাবে চিহ্নিত।

 

খুব সম্ভবত বাংলাদেশের গর্ব শেখ হাসিনা প্রাসঙ্গিক প্রেক্ষাপটকে আমলে নিয়ে বিবেক বর্জিত বিএনপি নেতাদের অসংলগ্ন, অসহিষ্ণু মন্তব্যগুলোর জবাব দিয়ে দেবেন। তবু, সাধারণ একজন মানুষ হিসাবে কিংবা আওয়ামী লীগের ক্ষুদ্র একজন কর্মী হিসাবে বলতে চাই, সরকারের পতন যারা চাইছেন, তাদের তো অনেক আগেই বাংলাদেশে পরাজয় হয়ে গেছে। তাদেরই পতন হয়েছে। তারা রাজনীতি করে না, বিএনপি শুধু নালিশ পার্টি নয়, অন্ধাকারে তারা রাজনৈতিক অপশক্তিও।

 

জনগণ তা বোঝে, কাজেই তাদের বিরুদ্ধে এখন আর পাল্টা রাজনীতি করার কিছু নেই। বরং তাদের মানুষ মারার কোন মিশন সামনের দিকে আছে কিনা, তা নিয়ে কার্যকর ভুমিকার প্রশ্নে রাষ্ট্রের পাশাপাশি সরকার দেখুক। আওয়ামী লীগের তাই ফলত আলাদা করে বিএনপির বক্তব্য বিবৃতিকে আর গুরুত্ব দেয়ারও কিছু নেই বলে মনে করার সুযোগ আছে।

 

এদিকে দেশের দুই বিদগ্ধজন সম্পর্কে বিএনপির আবাসিক নেতা বলে খ্যাত রাজনীতিক যা বলেছেন, তা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদ্বয়কে শুধু আক্রমণ করা হয় না, পুরো বাংলাদেশকে প্রতিপক্ষ করা হয়। যে বিএনপি দেশের জামায়াতে ইসলামীর প্রেমে মশগুল থেকে রাজনীতি করে গেল, তাদের মুখে নিজস্ব সংস্কৃতির কথা অথবা কথিত জাতীয়তাবাদের গল্পগুলো সৈয়দ মুজতবা আলীর রম্য রচনাকেও যে পিছু ফেলে !

 

বিএনপি আসলে কি চায় ? কেমন তাদের সংস্কৃতির রঙ ? তাদের পতাকায় সাদা-সবুজে চাঁদ ধরা দেয় কিনা ? এখনো পাকিস্তানের প্রেতাত্মা এই দলের নেতাদের সত্তায় যে ফেরে, তা প্রমাণিত সত্য হয়ে পড়ে। এমন না হলে তাদের দলের প্রকাশ্যে থাকা শীর্ষ নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই সেদিন কেন বলবেন যে, পাকিস্তান আমলই ভাল ছিল !

 

মুনতাসীর মামুনেরা এই জন্য দীর্ঘদিন ধরে লড়ে বলছেন, একটা বিহিত দরকার। তা তিনি লিখিত ও মৌখিক ধারাভাষ্যে থেকে বছরের পর বছর ধরে বলে আসছেন। মুনতাসীর মামুনদের মত দু’একজন এখনো আছেন বলেই স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাসটি প্রজন্ম জানতে পারে। জীবদ্দশায় তো কেহ তাঁর পুরষ্কার পায় না। আজ তিনি গ্রহান্তরীত হোক, এই জনশ্রেণি তাঁকে ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবি হিসাবে দেখাতে চাইবে। কিন্তু, প্রয়োজন এখনই মুনতাসীর মামুনের পাশে এসে বলা যে, চালিয়ে যান।

 

বিএনপি-জামায়াত রাজনৈতিক মিত্রতার মধ্য দিয়ে সামনের দিনে যা করতে চায়, তা প্রতিহত করতে হবে, আওয়ামী লীগের কর্মী হয়ে নয়। মানবিক সত্তায় উপস্থাপিত হয়ে বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে পুনরায় লড়তে হবে বলে মনে করার সযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। ওরা দিকভ্রষ্ট, দেশের প্রতিটি স্বাধীনতাকামী মানুষের তাই প্রমাণ করার সময়ও এখনই।

শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ওরা দিকভ্রষ্ট, তা প্রমাণের সুযোগ এখনই

আপডেট সময় : ১২:৪৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর ২০২২

জাতিসংঘ সম্মেলনে যোগদান ও যুক্তরাজ্য সফরের আদ্যপান্ত নিয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

উল্লেখিত দুইটি বিশেষ সফর ছাড়াও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ এর জন্য তিনি আর কি কি চিন্তা করছেন, তা বেশ কিছুদিন পর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দেশবাসী আবার জানতে পারার সুযোগে পাচ্ছে ।

 

এদিকে গেল দুইদিনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি থেকে বলা হচ্ছে, “সরকারের পতন ঘন্টা বাজতে আর বেশি সময় নেই। তাদের কেহ বলছেন, সুলতানা কামাল কিংবা মুনতাসির মামুনেরা কোনো বিবৃতি দিয়ে এদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষকে বিচলিত করতে পারবে না বরং তারা আজ ‘দালাল’ হিসাবে চিহ্নিত।

 

খুব সম্ভবত বাংলাদেশের গর্ব শেখ হাসিনা প্রাসঙ্গিক প্রেক্ষাপটকে আমলে নিয়ে বিবেক বর্জিত বিএনপি নেতাদের অসংলগ্ন, অসহিষ্ণু মন্তব্যগুলোর জবাব দিয়ে দেবেন। তবু, সাধারণ একজন মানুষ হিসাবে কিংবা আওয়ামী লীগের ক্ষুদ্র একজন কর্মী হিসাবে বলতে চাই, সরকারের পতন যারা চাইছেন, তাদের তো অনেক আগেই বাংলাদেশে পরাজয় হয়ে গেছে। তাদেরই পতন হয়েছে। তারা রাজনীতি করে না, বিএনপি শুধু নালিশ পার্টি নয়, অন্ধাকারে তারা রাজনৈতিক অপশক্তিও।

 

জনগণ তা বোঝে, কাজেই তাদের বিরুদ্ধে এখন আর পাল্টা রাজনীতি করার কিছু নেই। বরং তাদের মানুষ মারার কোন মিশন সামনের দিকে আছে কিনা, তা নিয়ে কার্যকর ভুমিকার প্রশ্নে রাষ্ট্রের পাশাপাশি সরকার দেখুক। আওয়ামী লীগের তাই ফলত আলাদা করে বিএনপির বক্তব্য বিবৃতিকে আর গুরুত্ব দেয়ারও কিছু নেই বলে মনে করার সুযোগ আছে।

 

এদিকে দেশের দুই বিদগ্ধজন সম্পর্কে বিএনপির আবাসিক নেতা বলে খ্যাত রাজনীতিক যা বলেছেন, তা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদ্বয়কে শুধু আক্রমণ করা হয় না, পুরো বাংলাদেশকে প্রতিপক্ষ করা হয়। যে বিএনপি দেশের জামায়াতে ইসলামীর প্রেমে মশগুল থেকে রাজনীতি করে গেল, তাদের মুখে নিজস্ব সংস্কৃতির কথা অথবা কথিত জাতীয়তাবাদের গল্পগুলো সৈয়দ মুজতবা আলীর রম্য রচনাকেও যে পিছু ফেলে !

 

বিএনপি আসলে কি চায় ? কেমন তাদের সংস্কৃতির রঙ ? তাদের পতাকায় সাদা-সবুজে চাঁদ ধরা দেয় কিনা ? এখনো পাকিস্তানের প্রেতাত্মা এই দলের নেতাদের সত্তায় যে ফেরে, তা প্রমাণিত সত্য হয়ে পড়ে। এমন না হলে তাদের দলের প্রকাশ্যে থাকা শীর্ষ নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই সেদিন কেন বলবেন যে, পাকিস্তান আমলই ভাল ছিল !

 

মুনতাসীর মামুনেরা এই জন্য দীর্ঘদিন ধরে লড়ে বলছেন, একটা বিহিত দরকার। তা তিনি লিখিত ও মৌখিক ধারাভাষ্যে থেকে বছরের পর বছর ধরে বলে আসছেন। মুনতাসীর মামুনদের মত দু’একজন এখনো আছেন বলেই স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাসটি প্রজন্ম জানতে পারে। জীবদ্দশায় তো কেহ তাঁর পুরষ্কার পায় না। আজ তিনি গ্রহান্তরীত হোক, এই জনশ্রেণি তাঁকে ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবি হিসাবে দেখাতে চাইবে। কিন্তু, প্রয়োজন এখনই মুনতাসীর মামুনের পাশে এসে বলা যে, চালিয়ে যান।

 

বিএনপি-জামায়াত রাজনৈতিক মিত্রতার মধ্য দিয়ে সামনের দিনে যা করতে চায়, তা প্রতিহত করতে হবে, আওয়ামী লীগের কর্মী হয়ে নয়। মানবিক সত্তায় উপস্থাপিত হয়ে বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে পুনরায় লড়তে হবে বলে মনে করার সযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। ওরা দিকভ্রষ্ট, দেশের প্রতিটি স্বাধীনতাকামী মানুষের তাই প্রমাণ করার সময়ও এখনই।

শেয়ার করুন