ঢাকা ০৯:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এবিসি ন্যাশনাল নিউজ২৪ ইপেপার

ব্রেকিং নিউজঃ

“অফসাইডের ফাঁদে বিশ্বকাপ ফুটবলাররা”এটা কী খেলোয়াড়দের ভুল,না কি কাতারে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার !?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ নভেম্বর ২০২২ ৯৫ বার পড়া হয়েছে

আফতাব পারভেজ ডেস্ক নিউজ

কাতার বিশ্বকাপে আধা–স্বয়ংক্রিয় (সেমি-অটোমেটেড) অফসাইড প্রযুক্তির ব্যবহার : ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

 

কাতার বিশ্বকাপ উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে খেলার গতি ধরে রাখা এবং নিখুঁত সিদ্ধান্ত নিতেই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

ফিফা জানিয়েছে, কাতার বিশ্বকাপে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ কম দিতে চান তারা। তার জন্য সব রকম প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। ফুটবলে বসানো থাকছে চিপ। সেখান থেকে প্রতি মুহূর্তে তথ্য চলে যাচ্ছে দায়িত্ব থাকা কর্মীর কাছে।

 

 

১৩ মিনিটের মধ্যে তিনবার সৌদি আরবের জালে বল পাঠিয়ে ব্যর্থ লিওনেল মেসিরা।

বাতিল হয়ে গেছে ০৩টি গোল।

কারণ, অফসাইডের ফাঁদে পা দিয়েছেন স্ট্রাইকাররা। একই দৃশ্য ডেনমার্ক বনাম তিউনিশিয়া ম্যাচেও। দুই দলেরই একটি করে গোল বাতিল হয়েছে অফসাইডে। কেন বার বার অফসাইডের ফাঁদে জড়িয়ে পড়ছেন ফুটবলাররা?

এটা কী খেলোয়াড়দের ভুল?

না কি উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার?

 

কাতার বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচেই ১০টি অফসাইড করেছে আর্জেন্টিনা। চার বছর আগে রাশিয়া বিশ্বকাপে গোটা প্রতিযোগিতায় ৬ বার অফসাইডের জালে জড়িয়েছিলেন মেসিরা। অর্থাৎ, শুধু গোলের ক্ষেত্রে নয়, ম্যাচে সাধারণ অফসাইডও বেশি চোখে পড়ছে। তার একটা বড় কারণ প্রযুক্তির উন্নতি।

 

ফিফা জানিয়েছে, কাতার বিশ্বকাপে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ কম দিতে চান তারা। তার জন্য সব রকম প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। ফুটবলে বসানো থাকছে চিপ। সেখান থেকে প্রতি মুহূর্তে তথ্য চলে যাচ্ছে দায়িত্ব থাকা কর্মীর কাছে। বিশ্বকাপের আগে লাইন্সম্যানদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে যাতে অফসাইডের ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্ক থাকতে পারেন তারা।

শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

“অফসাইডের ফাঁদে বিশ্বকাপ ফুটবলাররা”এটা কী খেলোয়াড়দের ভুল,না কি কাতারে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার !?

আপডেট সময় : ১২:২৯:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ নভেম্বর ২০২২

আফতাব পারভেজ ডেস্ক নিউজ

কাতার বিশ্বকাপে আধা–স্বয়ংক্রিয় (সেমি-অটোমেটেড) অফসাইড প্রযুক্তির ব্যবহার : ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

 

কাতার বিশ্বকাপ উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে খেলার গতি ধরে রাখা এবং নিখুঁত সিদ্ধান্ত নিতেই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

ফিফা জানিয়েছে, কাতার বিশ্বকাপে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ কম দিতে চান তারা। তার জন্য সব রকম প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। ফুটবলে বসানো থাকছে চিপ। সেখান থেকে প্রতি মুহূর্তে তথ্য চলে যাচ্ছে দায়িত্ব থাকা কর্মীর কাছে।

 

 

১৩ মিনিটের মধ্যে তিনবার সৌদি আরবের জালে বল পাঠিয়ে ব্যর্থ লিওনেল মেসিরা।

বাতিল হয়ে গেছে ০৩টি গোল।

কারণ, অফসাইডের ফাঁদে পা দিয়েছেন স্ট্রাইকাররা। একই দৃশ্য ডেনমার্ক বনাম তিউনিশিয়া ম্যাচেও। দুই দলেরই একটি করে গোল বাতিল হয়েছে অফসাইডে। কেন বার বার অফসাইডের ফাঁদে জড়িয়ে পড়ছেন ফুটবলাররা?

এটা কী খেলোয়াড়দের ভুল?

না কি উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার?

 

কাতার বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচেই ১০টি অফসাইড করেছে আর্জেন্টিনা। চার বছর আগে রাশিয়া বিশ্বকাপে গোটা প্রতিযোগিতায় ৬ বার অফসাইডের জালে জড়িয়েছিলেন মেসিরা। অর্থাৎ, শুধু গোলের ক্ষেত্রে নয়, ম্যাচে সাধারণ অফসাইডও বেশি চোখে পড়ছে। তার একটা বড় কারণ প্রযুক্তির উন্নতি।

 

ফিফা জানিয়েছে, কাতার বিশ্বকাপে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ কম দিতে চান তারা। তার জন্য সব রকম প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। ফুটবলে বসানো থাকছে চিপ। সেখান থেকে প্রতি মুহূর্তে তথ্য চলে যাচ্ছে দায়িত্ব থাকা কর্মীর কাছে। বিশ্বকাপের আগে লাইন্সম্যানদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে যাতে অফসাইডের ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্ক থাকতে পারেন তারা।

শেয়ার করুন